টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম উপকূল ছুঁয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে ‘মোরা’

চট্টগ্রাম, ৩০ মে ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): ঘুর্ণিঝড় ‘মোরা’ মঙ্গলবার (৩০ মে) ভোর ৬টা থেকে কুতুবদিয়ার হয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল ছুঁয়ে আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ডিউটি অফিসার মাহমুদুল আলম বলেন, ঘুর্ণিঝড়টি কুতুবদিয়ার নিকট হয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল ছুঁয়ে আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ৮৯ থেকে ১১৭ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসের সাথে ভারী বর্ষণ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই ঝড়োবাতাস সকাল ৯টার পর থেকে আরো তীব্র হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য মতে, চট্টগ্রামে ৭০-৮০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা এবং কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হচ্ছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নগরীর বিদ্যুৎ সংযোগ।

চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীসহ জেলার বাঁশখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, সাতকানিয়া, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়াসহ প্রতিটি উপজেলায় তীব্র বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। বাতাসের সঙ্গে ভয়ানক শব্দে উপড়ে ফেলছে বড় বড় গাছপালা। বিভিন্ন এলাকায় গ্রামে কাঁচা বাড়িঘরের চাল উড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে তীব্র বাতাসের কারণে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কসহ বিভিন্ন আন্তঃউপজেলা সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। চট্টগ্রামনগরীসহ জেলার প্রায় প্রতিটি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ঝড় শুরুর আগেই এবার লক্ষাধিক মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

তবে দুর্গত মানুষেরা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিলেও আশ্রয় কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবার এবং পানির কোনো ব্যবস্থা নেই বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রামে সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় পতেঙ্গা এলাকায় খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রবল বাতাসে গাছপালা উপড়ে পড়ছে। কাঁচা ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাতাসের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখনো লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যেতে দেখা গেছে।

মতামত