টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ধাপ সম্পন্ন

চট্টগ্রাম, ১৮ মে ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: দেশের উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ধাপের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আগামী বছর দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু করা গেলে ২০২২ সালের মধ্যে এর থেকে সুফল পাওয়া সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পরিবেশের ক্ষতি হবে না। পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের বিদ্যুৎ যোগানে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলেরা। তা্রা বলছেন, সঠিক সময়ে যাতে মানসম্পন্ন ও টেকসই কাজ হয় সেদিকে নজর দেয়া উচিত।

ভৌগোলিক দিক থেকে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেল হয়ে কুহেলিয়া নদীর তীরে ৭ হাজার ৬৫৬ একর জমিতে মহেশখালীর মাতারবাড়িতে জাপানের সহায়তায় আধুনিক প্রযুক্তির ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণ, নদীর চ্যানেল ড্রেজিং, প্রশাসনিক ভবন নির্মাণসহ প্রথম ধাপের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন মূল প্রকল্পের জন্য জাপানের সুমিটোমো ও মারুবিনি করপোরেশনের দেয়া দুটি দরপত্রের আর্থিক মূল্যায়নের কাজ চলছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, প্রচণ্ড গতিতে কাজ এগিয়ে চলছে। আমরা আশা করছি, সময় মত পাওয়ার প্ল্যান্ট চলে আসবে। যে চ্যানেলটা হচ্ছে এখানে, যে পোর্ট হচ্ছে, সবকিছু সময়মত এগোচ্ছে।

২০১৪ সালে পাস হওয়া এ প্রকল্পের ৩৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে জাইকা দেবে ২৯ হাজার কোটি টাকা আর বাংলাদেশ সরকার ব্যয় করবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

সিপিডি গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জাপানের সুনাম রয়েছে। সারাবিশ্বে তাদের প্রকল্প সুন্দর ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। এক্ষেত্রে সময় বেশি লাগলেও মান বজায় থাকবে, এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। এ প্রকল্পের জন্য ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে দুই হাজার ৪’শ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

আগামী বাজেটে সম্ভাব্য বরাদ্দ দেয়া হতে পারে ১৮শ ৩৬ কোটি টাকা। সরকারের বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম এই মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে কাজ চলছে পুরোদমে। এখান থেকে যে বিদ্যুৎ আসবে তা শুধু জাতীয় গ্রিডেই যোগ হবে না, চট্টগ্রামের আশেপাশে যে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা উঠছে, তাতেও তা ব্যবহার করা যাবে।

মতামত