টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলে কমছে যাতায়াত সময়

চট্টগ্রাম, ১৪ মে ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল রেললাইনের অংশ হিসেবে মেঘনা নদীর ওপর দ্বিতীয় ভৈরব রেলওয়ে সেতু ও তিতাস নদীর ওপর তিতাস সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। উদ্বোধনের পর খুব শিগগির সেতু দুটির ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। সেতু দুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রানিং টাইম কমে আসবে। বাড়ানো যাবে গাড়ির সংখ্যাও।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি সেতু নির্মাণের ফলে এখন থেকে ভৈরব ও আখাউড়া স্টেশনে ক্রসিং ছাড়াই ট্রেন চলাচল করতে পারবে। সেতুর কাজ শেষ হওয়ায় এখন আনুষঙ্গিক কিছু কাজ বাকি আছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

প্রকল্প পরিচালক জানান, ৯৮৪ মিটার দৈর্ঘ্য (এক কিলোমিটার থেকে ১৬ মিটার কম) এবং ৭ মিটার প্রস্থের সেতু দুটিতে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ দুটি লাইনই থাকছে। আগের পুরনো সেতুতে কেবল মিটারগেজ লাইন রয়েছে। সেতু দুটি দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-নেয়াখালী, ঢাকা-চাঁদপুর রেলওয়ে পথে ট্রেনের রানিং সময় কমে আসবে।

প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল হাই জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি সেতু হলো মেঘনা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় ভৈরব রেলওয়ে সেতু এবং তিতাস নদীর ওপর নির্মিত তিতাস সেতু। সেতু দুটি চালু হওয়ার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে অন্তত আরও ১৫ মিনিট সময় কমে আসবে। এতে করে যাত্রী সুবিধা অনেক বেড়ে যাবে।

ভারতের অর্থায়নে নির্মিত সেতু দুটি দিয়ে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ উভয় ট্রেন চলাচল করতে পারবে জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো.আবদুল হাই জানান, ধীরে ধীরে মিটারগেজ ট্রেনের ব্যবহার কমে আসছে। বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা উভয় ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে সেতু নির্মাণ করেছি। আগামীতে মিটারগেজ ট্রেন বন্ধ হলেও যাতে সেতু নির্মাণ করতে না হয়। সেতু নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি উন্নতমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে কারণ ভবিষ্যতের বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করছি। যাতে কয়েক বছর পর এ সেতু ট্রেন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে।

উল্লেখ্য, ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ সরকার ঢাকা রেলওয়ে পথে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের সুবিধার্থে সেতু দুটি নির্মাণ করে। ডাবল লাইন না থাকায় ট্রেনগুলো যাতায়াতের সময় ক্রসিং করতে হয়। এতে ১০ থেকে ২০ মিনিট সময় নষ্ট হয়।

মতামত