টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

হাওর, পাহাড় ও দ্বীপাঞ্চলে অাবাসিক শিক্ষা ব্যবস্থা হবে

চট্টগ্রাম, ০৪ মে ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা জাতির জন্য একান্ত অপরিহার্য। তা ছাড়া দারিদ্র বিমোচনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। অামাদের সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে শিক্ষা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না। হাওর, পাহাড় ও দ্বীপাঞ্চলে অাবাসিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০১৭ এর ফলাফল হস্তান্তরের পর তিনি এসব কথা বলেন। এর অাগে প্রধানমন্ত্রীর সামনে ফলাফলের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, হাওর, পাহাড়ি ও দ্বীপ অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক দূরে দূরে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের পায়ে হেটে এসব স্কুলে যেতে হয়। হাওর অঞ্চলে পানির জন্য খুব কষ্ট করে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হয়। তা ছাড়া বৃষ্টি বাদলের দিনে তারা স্কুলে যেতে পারে না। এতে তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয়। পাহাড়ি এবং দ্বিপাঞ্চলেও অনুরুপ ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, অামাদের শিশুদের অনেকেই প্রতিবন্ধি। তারাও যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় সে দিকে বাবা-মাসহ সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিবন্ধি ও অটিস্টিক শিশুদের জন্য অালাদা লেখা পড়ার ব্যবস্থা অাছে। এমনকি তাদের চাকরির ক্ষেত্রেও অালাদা কোটা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অজকের শিশুরাই অাগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এরাই একদিন রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। সুতরাং তাদের সে ভাবেই গড়ে তুলতে হবে। সারা বিশ্বে অাজ প্রতিযোগিতা চলছে। মেধার দিক থেকে অামাদের ছেলে-মেয়েরা কোনো অংশেই কম নয়।

শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিযোগিতায় টিকতে পারে এ জন্য তাদের পড়াশোনার দিকে নজর দিতে প্রত্যেক অভিভাবকের প্রতি অাহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অামাদের সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বই ফ্রি দিচ্ছে। এ ছাড়া মেধাবীদের বৃত্তি দিচ্ছে। শুধু এ ক্ষেত্রেই নয়, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও সরকার বৃত্তির ব্যবস্থা করছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮৩.৯৯ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৫৯.০৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৮৩.৯৮ শতাংশ, সিলেট ৮০.২৬ শতাংশ, বরিশাল ৭৭.২৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৮০ দশমিক ০৪ শতাংশ।

মতামত