টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

১৩০ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম, ২৫ এপ্রিল ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: ১৩০তম বন্দর দিবস আজ। এই উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বন্দর দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেছেন, ‘১৮৮৮ সালের ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। তার আগে থেকেই জাতীয় উন্নয়নে এ বন্দর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এ বন্দরের গুরুত্ব আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।’ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। প্রাচীনকাল থেকে শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। শুধু ব্যবসাবাণিজ্যের ক্ষেত্রে নয়, এ অঞ্চলের সভ্যতার ক্রমবিকাশেও এ বন্দরের বিশেষ প্রভাব রয়েছে।’

বহির্বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২০১৬ সালে এ বন্দর ২৩ লাখ টিইইউস কন্টেনার হ্যান্ডেলিং করে। বিগত অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয় এবং লয়েড’স লিস্টের জরিপে চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের ১০০টি কন্টেনার পোর্টের মধ্যে ১১ ধাপ এগিয়ে ৭৬তম অবস্থানে উন্নীত হয়।

বন্দর দিবস উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর ভবন চত্ত্বরে জাতীয় পতাকা ও বন্দরের পতাকা উত্তোলন এবং সকাল ১১টায় শহীদ মুন্সি ফজলুর রহমান অডিটরিয়ামে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে বন্দর চেয়ারম্যান মতবিনিময় করবেন। একই স্থানে বিকেল ৪টায় বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হবে।

বন্দর দিবস উপলক্ষে এবার দুইদিন ব্যাপী পোর্ট এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে। নবনির্মিত কারশেডে আগামী ২৭ ও ২৮ এপ্রিল পোর্ট এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২৭ এপ্রিল সকালে পোর্ট এক্সপো উদ্বোধন করবেন। ১০০টির বেশি স্টল বসছে এক্সপোতে। বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারসহ বিশ্বের নানা দেশ থেকে বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বন্দরে যন্ত্রপাতি সরবরাহকারীরা এক্সপোতে অংশ নেবেন।

উদ্বোধনী দিনের কর্মসূচিতে আরও রয়েছে বেলা ১২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পোর্ট এক্সপোর মুক্তমঞ্চে উন্মুক্ত আলোচনা, মতবিনিময়, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিনোদন কার্যক্রম এবং সন্ধ্যায় হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ২৮ এপ্রিল শেষদিনে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আলোচনা, মতবিনিময়, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিনোদন কার্যক্রম চলবে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

মতামত