টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ সীমান্ত সম্মেলন

চট্টগ্রাম, ১৩ এপ্রিল ২০১৭ (সিটিজি টাইমস)::  চট্টগ্রামে ভারত বাংলাদেশ যৌথ সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমীন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে এই সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দুদেশের সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিন ও ভারতের পক্ষে ত্রিপুরার গোমাটি জেলার ডিএম ও কালেক্টর রাভাল হামেন্দ্র কুমার নেতৃত্ব দেন।

সম্মেলনে দুদেশের সীমান্ত সংক্রান্ত অপরাধ দমন, পর্যটন খাতে উন্নয়ন, জাতীয় উৎসবগুলোতে দুদেশের মধ্যে যাতায়াতে সহজিকরণ, ফেনী নদীর পানি বণ্টন, চোরাচালান প্রতিরোধ, ফটিকছড়িতে সীমান্ত হাট চালু এবং কাস্টমস ও পুলিশ চেকপোস্ট স্থাপনের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দুপুরে সম্মেলন শেষে প্রেস ব্রিফিং-এ বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান মো. সামসুল আরেফিন বলেন, দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন আলোচ্যসূচি নিয়ে জেলা পর্যায়ে ইতিবাচক বৈঠক হয়েছে। অনেক বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। পাশাপাশি যেসব বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন সেসব বিষেয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছি। এরকম সভার মধ্য দিয়ে দুদেশের সম্পর্ক উন্নয়ন হবে।

সামসুল আরেফিন আরো বলেন, পর্যটন শিল্পকে আমরা প্রমোট করব দুদেশের পক্ষ থেকে। পর্যটকরা যাতে খুব সহজে দুদেশে আসা যাওয়া করতে পারে। বিশেষ করে ভারতের ওই দুটি জেলায় বসবাসরতরা সড়কপথে এসে আমাদের পতেঙ্গা, কক্সবাজার সি-বিচে যেতে পারবে। কারণ তাদের সমুদ্র নেই। আমরাও সহজভাবে তাদের দেশে যেতে পারব।

ত্রিপুরার গোমাটি জেলার ডিএম ও কালেক্টর রাভাল হামেন্দ্র কুমার বলেন, ফেনী নদীতে ভারতের একতরফাভাবে স্থাপিত ২৬টি পাম্প হাউজ যৌথ নদী কমিশনের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তুলে নেওয়ার ব্যাপারে ভারত একমত হয়েছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও খাগড়াছড়ির জেলার জেলা প্রশাসক, বিজিবি-পুলিশের কর্মকর্তারা এবং ভারতের পক্ষে গোমতি ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিএসএফের কর্মকর্তারা।

আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রামের ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার।

মতামত