টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন জব্দ: র‍্যাবের সম্পূরক অভিযোগপত্র গ্রহণ

চট্টগ্রাম, ১৩ এপ্রিল ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেনের চালান আটকের ঘটনায় র‌্যাবের দেওয়া অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সাথে মামলায় পলাতক তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশও দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মো. নোমান এই আদেশ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, গত ৩ এপ্রিল কোকেন মামলায় অধিকতর তদন্ত শেষে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন র‌্যাব-৭ এর কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী। সম্পূরক অভিযোগপত্রে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের মালিক নূর মোহাম্মদসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়। বৃহস্পতিবার অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানি শেষে আদালত অপরাধ আমলে নিয়ে সম্পূরক অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেছেন। একই সাথে পলাতক তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

কোকেন উদ্ধারের মামলায় আসামিরা হলেন- খান জাহান আলী লিমিটেডের মালিক নূর মোহাম্মদ, খান জাহানর কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সোহেল, মোস্তফা কামাল, মেহেদী আলম, আরিফুর রহমান, এএফএম আজাদ, সাইফুল ইসলাম, মোস্তাক আহমেদ, ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া। এদের মধ্যে নূর মোহাম্মদের ভাই মোস্তাক আহমেদ, ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া পলাতক।

প্রসঙ্গত ২০১৫ সালের ৭ জুন বলিভিয়া থেকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের খানজাহান আলী লিমিটেডের নামে আসা একটি কনটেইনারে কোকেন পাওয়া যায়। সূর্যমুখী তেলের নামে আনা ১০৭টি ড্রামের মধ্যে ৯৬ নম্বর ড্রামে পাওয়া গিয়েছিল তরল কোকেন। অবৈধভাবে তরল কোকেন আমদানির ঘটনায় ওই বছরের ২৮ জুন নগরীর বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান গনি বাদি হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ (১) এর ১(খ) ও ৩৩ (১)/২৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর আদালতে আটজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. কামরুজ্জামান। এতে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি নুর মোহাম্মদকে বাদ দিয়ে আটজনকে আসামি করা হয়েছিল। ৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্রের উপর শুনানি শেষে আদালত র‌্যাবকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মর্যাদার একজন কর্মকর্তা দিয়ে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত