টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য সরাতে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করব: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১১ এপ্রিল ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): দেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য স্থাপন করা উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে এই ভাস্কর্য সরানোর ব্যাপারে তার ওপর ভরসা রাখতে আলেমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার রাতে গণভবনে আলেমদের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। কওমি মাদ্রাসা সনদের স্বীকৃতি ঘোষণা করতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য সরানোর জন্য আলেমদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসব। তাকে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য সরিয়ে নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হবে।

সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে এই ভাস্কর্য স্থাপনের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটাকে আবার শাড়ি পরানো হয়েছে। এর কী মানে!

তিনি এ নিয়ে মাঠ গরম না করতে আলেমদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেহেতু একটা জিনিস হয়ে গেছে আপনারা ধৈর্য ধরেন, আমরা এটা সরানোর ব্যবস্থা করবো।

এর আগে আলেমদের প্রতিনিধিরা সবাই আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য সরানোর দাবি জানান। তারা বলেন, এটা আমাদের বাংলাদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না।

এরআগে সন্ধ্যায় গণভবনে পৌঁছান বেফাকের সভাপতি শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী। কওমি মাদ্রাসা সনদের সরকারি স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় তার নেতৃত্বে গণভবনে আসেন ৩০০ জন আলেম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সন্ধ্যায় বৈঠক বসেন তারা।

বাংলাদেশে চল্লিশ হাজার কওমি মাদরাসার শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি ঘোষণার লক্ষ্যে গণভবনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশের শীর্ষ আলেমদের বৈঠক। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি ঘোষণা করবেন।

আল্লামা শফীর সঙ্গে রয়েছেন বেফাকের সহ-সভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী, আল্লামা আনোয়ার শাহ, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মোস্তফা আজাদ, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, বেফাক মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, বেফাকের মহাপরিচালক মাওলানা জোবায়ের আহমদ চৌধুরী, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর।

মতামত