টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে পহেলা বৈশাখে করণীয় ও বর্জনীয়

চট্টগ্রাম, ১১ এপ্রিল ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: চট্টগ্রামে পহেলা বৈশাখ উৎসবের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য রাখেন পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার।

পুলিশ কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়া যে কেউ মুখোশ সঙ্গে নিতে পারবে। তবে শর্ত হলো-মুখোশ মুখে নয়, তা কেবল হাতে করে বহন করা যাবে। নববর্ষের শোভাযাত্রায় ভুবুজেলা বাজানো যাবে না। পহেলা বৈশাখে উন্মুক্ত স্থানে আয়োজিত অনুষ্ঠানসমূহ বিকেল পাঁচটার মধ্যে শেষ করতে হবে। তবে আবদ্ধস্থানে (ইনডোর) আয়োজিত অনুষ্ঠান করা যাবে। কিন্তু এক্ষেত্রে অবশ্যই সিএমপি’র অনুমতি নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করতে হবে। মোটরসাইকেল ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু তাতে চালক ব্যতীত আরও কোনো আরোহী থাকতে পারবে না। আর অনুষ্ঠানস্থলে কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। সুবিধাজনক স্থানে গাড়ি রেখে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে যোগ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শোভাযাত্রায় কোনো ধরণের ব্যাগ, পোটলা, প্যাকেট বহন করা যাবে না। পাশাপাশি অনুষ্ঠানস্থলে ঢোঁকার সময় সকলকে দেহ তল্লাশিতে সহায়তা করতে হবে। শোভাযাত্রায় এবং সমাবেশস্থলে পানি বা অন্য কোনো পানীয় বোতল বহন করা যাবে না। আমাদের পক্ষে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে। কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ এবং বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর দ্রব্য বহন করা যাবে না, ভয় বা আতঙ্ক সৃষ্টি করে এমন কোনো বিকট শব্দ করা যাবে না।

তিনি বলেন, কোনো ধরণের মাতলামি করা যাবে না। নারীর প্রতি কোনো ধরণের অশোভন আচরণ করা যাবে না। শোভাযাত্রায় সকলকে সু-শৃঙ্খল ও সারিবদ্ধভাবে চলতে হবে। যত্রতত্র হকার বা দোকান বসানো যাবে না। গ্যাস সিলিন্ডারসহ বেলুন বিক্রেতা এবং ফ্ল্যাক্স নিয়ে চা বিক্রেতা অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারবে না।’

পুলিশ কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখের দিন শুক্রবার হওয়ায় জুমার নামাজের সময় গান-বাজনা এবং মাইক বন্ধ রাখতে হবে। প্রতিটি অনুষ্ঠানের আয়োজকদের নিজস্ব একটি স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করতে হবেঅ তাদের যেন সহজে চেনা যায় সেজন্য ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লেখা ক্যাপ বা বাহুবন্ধীর ব্যবস্থা করতে হবে। পাশরপাশি তাদের নাম ও মুঠোফোন নাম্বারের একটি তালিকা সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে। শিরীষতলা ও ডিসি হিলে মাইকিংয়ের ব্যবস্থাসহ পুলিশ কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হবে। সন্দেহজনক কোনো কিছু দেখলেই পুলিশকে জানাতে হবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত