টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদন রাষ্ট্রপতির নাকচ

চট্টগ্রাম, ০৮ এপ্রিল ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। এখন জেলকোড অনুযায়ী যেকোনো সময় তার ফাঁসি কার্যকর হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন এই তথ্য।

২০০৪ সালে সিলেটে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায় এই জঙ্গিনেতা ও তার দুই সহযোগীর ফাঁসির চূড়ান্ত আদেশ দিয়েছিল আপিল বিভাগ।

গত ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী মুফতি হান্নান রাষ্ট্রপতির কাছে এই আবেদন করেন।

মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আসামির রিভিউ আবেদন খারিজ হয় ১৯ মার্চ। পরদিন মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয় তাদেরকে। আর সেদিনই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের কথা জানান তারা।

কারা মহাপরিদর্শক ইফতেখার উদ্দীন আহমেদ পরদিন জানিয়েছিলেন, এই আবেদন করতে তিন আসামি সাত দিন সময় পাবেন। আর সাত দিন পর সকালে সিলেট কারাগারে বন্দী মুফতি হান্নানের এক সহযোগী রিপন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চান।

কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আবেদন করেন মুফতি হান্নানও। তবে আবেদনে মুফতি হান্নান কী লিখেছেন, সে বিষয়ে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার মিজানুর রহমান কিছু বলেননি।

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত এবং পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হন। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত পাঁচ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

এরপর রায় অনুমোদন করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি ২০০৯ সালে আসামিরা জেল আপিলও করেন।

২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালত এই দণ্ড বহাল রাখে। পরে ১৪ জুলাই আপিল করেন দুই আসামি হান্নান ও বিপুল। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর এই আবেদন খারিজ হয়ে গেছে ১৭ জানুয়ারি রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করা হয়। ১৯ মার্চ রিভিউ খারিজ হয়ে যায়। পরে রিভিউ খারিজের রায় মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়।

মতামত