টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে জলমগ্ন বন্দরনগরী, দুর্ভোগে নগরবাসী

চট্টগ্রাম, ০৪ এপ্রিল ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: মাত্র কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে ডুবে গেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। অকেঁজো পানি নিষ্কাষণ ব্যবস্থার কারণে নগরীর অধিকাংশ এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।

নগরীর নিচু অঞ্চল বিশেষ করে ষোলশহর দুই নম্বর গেট, মুরাদপুর, চকবাজার, বাকলিয়া, জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের উত্তর পাশের সড়ক, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, শান্তিবাগ আবাসিক এলাকা, কমার্স কলেজ রোড, হোটেল আগ্রাবাদের সামনেসহ বিস্তীর্ণ এলাকা হাঁটু পানিতে ডুবে গেছে। এসব এলাকার রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে যান চলাচল করতে পারছে না।

প্রসঙ্গত, বিকেল তিনটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে মাত্র ৩১ দশমিক ৪ মিলিমিটার। এতটুকু বৃষ্টিতে নগরীর নিম্নাঞ্চলে থই থই করছে পানি। কোথাও হাঁটু সমান আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমেছে মূল সড়কে।

অবশ্য অল্প বৃষ্টিতে সৃষ্টি হওয়া এ জলাবদ্ধতাকে জলাবদ্ধতা বলতে নারাজ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা। তারা একে বলছেন জলজট। আকস্মিক বৃষ্টিতে এ জলজট সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন তারা। খুব শিগগিরই জমে থাকা জল নিষ্কাষণ হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।


মঙ্গলবার দুপুরে থেকে বৃষ্টি শুরু হলে যানজট ও জলজটে থমকে যায় পুরো নগরী। এসময় নগরীর ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ মুরাদপুর এলাকায় সৃষ্টি হওয়া যানজট বিস্তৃত হয় আশেপাশের এলাকাগুলোতেও। এসময় অসহনীয় পরিস্থতি সৃষ্টি হয়। হাঁটু পানিতে ডুবে যায় গাড়িঘোড়া, দোকানপাট। পথচারীদেরকে এসময় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

মুরাদপুরে ফ্লাইওভারের কাজ চলায় সেখানে প্রায়ই যানজট লেগে থাকে। তার মধ্যে মড়ার ওপর খাড়ার ঘা হিসেবে জলাবদ্ধতা যোগ হয়ে মানুষের ভোগান্তির মাত্রাকে বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ।
মুরাদপুরে থাকা সাকিব জানান, ওই এলাকা হাঁটু সমান পানিতে ডুবে গেছে। তার প্রভাব গিয়ে পড়েছে নগরের অন্যান্য এলাকায়। সে কারণে বিভিন্ন সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ডিউটি অ্যাসিস্টেন্স মো. মাসুদ রানা  জানান, চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ কারণে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে চট্টগ্রামে। উত্তর বঙ্গোপসাগরের সব মাছ ধরার নৌযানকে উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।

 

মতামত