টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় এবার বিমান কর্মচারি কারাগারে

চট্টগ্রাম, ০৮ মার্চ ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: সোনা চোরাচালান মামলার আসামি বিমান বাংলাদেশের ট্রাফিক হেলপার কে এম নুরুদ্দিন অদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর এলাকার কে এম আমীর আলীর ছেলে।

 চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শাহে নূর এর আদালতে বুধবার আত্মসমর্পন করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ২৫টি স্বর্ণের বার আটকের ঘটনায় করা মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি কে এম নুরুদ্দিন।

২০১৩ সালের ১ নভেম্বর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে ২৫টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যের দোহা থেকে দুবাই হয়ে আসা এয়ার এরাবিয়া ফ্লাইটের এক যাত্রী লাগেজটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে এসেছিলেন।

সেসময় বিমানবন্দরে কর্মরত কাস্টমসের এআরও আনিসুর রহমান এবং বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশন বিভাগের ব্যবস্থাপকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) মোমেন মকসুদসহ কয়েকজন মিলে ওই লাগেজের মালিককে গ্রেফতার এড়িয়ে নিরাপদে বিমানবন্দর পার করে দেবার অভিযোগ উঠেছিল। এর ভিত্তিতে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহকারী পরিচালক রহমতউল্লাহ বাদি হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

দুই বছর তদন্তের পর চলতি বছরের ২ জানুয়ারি তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহকারী পরিচালক এইচ এম আক্তারুজ্জামান আদালতে মামলার অভিযোগপত্র জমা করেন। এতে ৭ জনকে আসামি করা হয়।

আসামিরা হলেন, কাস্টমসের এআরও আনিসুর রহমান, সিভিল এভিয়েশনের কর্মচারী মোমেন মকসুদ, আনসারের এপিসি ইলিয়াস, আনসার সদস্য মাহফুজার ও শাহিন, বিমানের ট্রাফিক হেল্পার নুরুদ্দন এবং লাগেজের মালিক আলাউদ্দিন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত