টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কমছে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ

চট্টগ্রাম, ০৭ মার্চ ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): দেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার চার্জ বেশি বলে মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এ কারণেই সেবা চার্জ কমাতে চায় ব্যাংকিং খাতের এই নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা।সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সেবার পরিধি কমানো হয়েছে। এতে একজন গ্রাহক তার মোবাইল হিসাবে সর্বোচ্চ ২ বারে ১৫ হাজার টাকা নগদ জমা এবং ১০ হাজার টাকা নগদ উত্তোলন করতে পারবেন। এভাবে মাসে তিনি ২০ বারে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ জমা এবং ১০ বারে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ উত্তোলন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, একটি মোবাইল হিসাবধারী কর্তৃক নগদ অর্থ জমা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ হাজার টাকার বেশি উত্তোলন করা যাবে না। এই নির্দেশনা শুধু মোবাইল হিসাবে ক্যাশ ইন হলেই প্রযোজ্য হবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের বেতন, পোশাক শ্রমিকদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল, মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেন, বর্তমানে দেশের ১৭টি ব্যাংক মোবাইলে ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে। এর মধ্যে বিকাশ ছাড়া বাকি ১৬টি পোর্টফোলিও বিনিয়োগ। বিকাশ ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসাবে সেবা দিচ্ছে। তবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে চার্জ অনেক বেশি। এটা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে আলোচনা হয়েছে। কীভাবে চার্জ কমানো যায়; তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শুভঙ্কর সাহা বলেন, সম্প্রতি বিকাশসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের খবর বেরিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১০০০ এজেন্টের কার্যক্রম, হিসাব পরিদর্শন করা হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং একটি সীমিত ব্যাংকিং সেবা। তবে এখন ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বেড়ে গেছে। এর মাধ্যমে অনিয়ম বেড়েছে।

তিনি বলেন, বিকাশ বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার ৮০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই অপরাধের খবর তাদের বেশি। তবে সব কিছু বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে আছে।

সংবাদ সম্মেলনে পেমেন্ট সিস্টেমের বিভাগের মহাব্যবস্থাপক লীলা রশিদ, মহাব্যবস্থাপক জীএম আবুল কালাম আজাদসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতামত