টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘এলএনজি টার্মিনালের কাজ শেষ হলে গ্যাস সংকট দূর হবে’

চট্টগ্রাম, ০৬ মার্চ ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): গভীর সমুদ্রে ভাসমান লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপন করা হচ্ছে। ২০১৮ সালের মধ্য এ প্ল্যান্টের নির্মাণ কাজ শেষ হবে। এরপর দেশের গ্যাস সংকট দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

আজ সোমবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত আহমেদ মোহম্মেদ আল বিয়াইমির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট সেক্টরে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন হচ্ছে। ভাসমান টার্মিনাল প্ল্যান্টটি জাহাজের উপর থাকবে। এলএনজির লিকুইড গ্যাস (তরল গ্যাস) আসবে কাতার থেকে। কাতারের সঙ্গে আমাদের এ সংক্রান্ত দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি আছে। সেটি বাস্তবায়ন হলে গ্যাসের সঙ্কট দূর হবে।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে কাতারের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যবৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নতুন দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি করতে চায় কাতার। নতুন চুক্তিটি হলে দুই দেশের মধ্যে ব্যব্সা-বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে। সেগুলোতে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধার কথা রাষ্ট্রদূতকে জানানো হয়েছে। কাতারের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের যেকোনোটিতে তারা বিনিয়োগ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালে কাতারে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। একই সময়ে ওই দেশ থেকে ১৩ কোটি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। এছাড়া আমাদের দেশের অনেক মানুষ কাতারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে; নিয়মিত রেমিট্যান্স পাঠায় তারা।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, পৃথিবীর সর্বোচ্চ মাথাপিছু আয়ের দেশ কাতার। দেশটির মাথা পিছু আয় ২ লাখ ডলার। তাদের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিত চুক্তি আমাদের অর্থৈনিতকভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্বেগ প্রকাশ করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের দাবি একেবারেই অহেতুক এবং অতিরঞ্জিত। বাস্তবের সঙ্গে ওই প্রতিবেদনের কোনো মিল নেই। বর্তমানে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা যেকোনো সময়ের চেয়ে স্বাভাবিক। দুই-একটি ঘটনা ঘটতে পারে। বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রেই তার চেয়ে বেশি ভয়ংকর ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে এদেশে জ্বালাও পোড়াও, পেট্টোল, অবরোধ, হরতাল চলেছিল। তখন যুক্তরাষ্ট্র কোনো কথা বলেনি।

মতামত