টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

শিরোপার লড়াই নাকি যুদ্ধের প্রস্তুতি

চট্টগ্রাম, ০৫ মার্চ ২০১৭ (সিটিজি টাইমস)::  ক্রিকেট বিশ্বের চোখ এখন পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে। শিরোপার উত্তেজনার সঙ্গে দুরু দুরু কাঁপন নিয়ে আজ রাত ৯টায় মাঠে হাজির হবে পেশোয়ার জালমির এবং কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স।

কোয়েটার হয়ে মাঠে থাকার কথা রয়েছে বাংলাদেশি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়ের। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের দৃষ্টিও লাহারে দিকে। যদি হামলা হয়, কীভাবে মোকাবেলা করবে পাকিস্তান?

ইতোমধ্যে সব ধরণের প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির পুলিশ বাহিনীর বরাত দিয়ে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম ডন প্রকাশ করেছে এমন একটি রণকৌশলমূলক প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আক্রমণ হলে সবার আগে অ্যাকশনে যাবে পাক সেনাবাহিনী। তাদের সঙ্গে আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়বে অশ্বারোহী সৈন্যদল। পাশাপাশি থাকবে দেশটির পুলিশ বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তাকর্মীর সদস্যরা।

বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে খেলোয়াড়দের টিম হোটেল থেকে আনা হবে। এরপর একজন একজন করে মাঠে ঢুকানো হবে। দর্শকদের মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি। জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো দর্শক মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না। মাঠে ঢোকার পথে দফায় দফায় চেকের কবলেও পড়তে হবে দর্শকদের।

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের ৪০০ গজের ভেতর কোনো প্রকার গাড়ি পার্কিং কিংবা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে। পুলিশ আর সেনাবাহিনী পুরো স্টেডিয়ামকে ঘিরে রাখবেন। সর্বোপরি ম্যাচটি নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে ফেলা হবে গোটা লাহোরকে।

এসব পদক্ষেপ ছাড়াও আরও বিভিন্ন ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে পাকিস্তান। নিরাপত্তার খাতিরে সেগুলো প্রকাশ করেনি পুলিশ। এরই মধ্যে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

পুরো এলাকার দোকান, রেস্তোরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সকাল থেকে মানুষের চলাচলও বন্ধ রয়েছে। সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে লাহোরের সব হাসপাতালকে।

মতামত