টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের প্রতিটি পর্যায়ে অনিয়ম রয়েছে : দুদক

চট্টগ্রাম, ৩০ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের প্রতিটি পর্যায়ে অনিয়ম রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার আমিনুল ইসলাম। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে সোমবার সকাল ১০টার দিকে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে দুদকের ১২ সদস্যের একটি দল চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে প্রবেশ করে। এ দলে দুদকে মহাপরিচালক মুনীর চৌধুরী ও আতিকুর রহমান ছিলেন। এরপর কাস্টমস কর্মকর্তা ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে দুদক দল।

এরপর সাংবাদিকদের আমিনুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি ধারাবাহিকভাবে একাধিক পত্রিকায় কাস্টমস হাউজ সম্পর্কে অনুসন্ধানী রিপোর্ট হয়েছে। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় টক শোতে ফুটেজ দেখিয়েছে কাস্টমস হাউজের মধ্যে কিভাবে টাকা লেনদেন হয়। এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। আমরা যেখানে চেষ্টা করছি দেশকে সুন্দর পর্যায়ে নিতে, সেখানে যদি বলে টাকা লেনদেনের ছবি আছে। নির্দেশনা দিয়ে যদি ছেড়ে দিই তাহলে হবে না।

তিনি বলেন, এখানে প্রতিটি পর্যায়ে অনিয়ম আছে। কাস্টমস হাউজ কর্তৃপক্ষ চিন্তা করছে কিভাবে অনিয়মগুলো ধাপে ধাপে দূর করা যায়। অনেক সরকারি অফিস করেছে। কিন্তু কাস্টমস হাউজে এখনও দেখতে পাই নি। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা কাস্টমস কর্মকর্তাদের কক্ষে অবাধে চলাচল করে।

দুদক কমিশনার বলেন, যে সমস্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ছবি এসেছে আশা করেছিলাম কাস্টমস হাউজ তদন্ত করবে, ব্যবস্থা নেবে, সাসপেন্ড করবে। এখনও বলছি সাসপেন্ড করুন, দুদকও তদন্ত করবে। দুর্নীতিবাজদের জন্য দুদক আতঙ্কের মতো। আমাদের যে ক্ষমতা আইনে আছে দুদক বাসায়-অফিসে গিয়ে তদন্ত করতে পারবে। অর্থ, সম্পদ গোপন করার সুযোগ পাবেন না।

পরে দুপুর ১টার দিকে বন্দর ভবনে যায় দুদকের দল। এরপর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। বৈঠক শেষে দুদক কমিশনার আমিনুল ইসলাম বলেন, বন্দরের যে অভিযোগ পেয়েছি সে বিষয়ে জানতে চেয়েছি। যেসব ক্ষেত্রে দুর্নীতির সম্ভাবনা আছে তা নিয়ে কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। আমরা কমিশনে এসব নিয়ে কথা বলব। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এ ব্যাপারে জানাব।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত