টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অরগানাইজেশনের পুরস্কার পেল চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম, ২৭ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের ৯০ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে হয়ে থাকে। আর বাংলাদেশ কাস্টমসের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বড় অংশই এ বন্দর থেকে আদায় করা হয়। ২০১৭ সালে এ বন্দরের অবদানের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরকে সার্টিফিকেট অব মেরিট পুরস্কার প্রদান করেছে ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অরগানাইজেশন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধিনস্ত বাংলাদেশ কাস্টমসের কার্যক্রমে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অংশীদারীত্বমূলক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম. খালেদ ইকবাল জানান, আমদানি ও রপ্তানির জন্য একটি সরকারি রুট চট্টগ্রাম বন্দর। চট্টগ্রাম সামুদ্রিক বন্দর কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯-এর ৯ ধারা মোতাবেক জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ঘোষিত শুল্ক বন্দর এটি।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালে ২৩ লাখ টিউস কন্টেইনার এবং ৭ কোটি ৭০ লাখ মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডেলিং করে চট্টগ্রাম বন্দর। লয়েডস লিস্টের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি কন্টেইনার পোর্টের মধ্যে আগের বছরের চেয়ে ১১ ধাপ এগিয়ে ৭৬তম অবস্থানে পৌঁছে এ বন্দর। তারই ধারাবাহিতায় আজকের এই অর্জন।

প্রসঙ্গত, ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক ১ টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলী নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৮৮৮ সালের ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার গঠন করা হয়।

১৮৯৯-১৯১০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার ও আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে যুক্তভাবে ৪টি স্থায়ী জেটি নির্মাণ করে। ১৯১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে রেলওয়ে সংযোগ সাধিত হয়। ১৯২৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরকে মেজর পোর্ট ঘোষণা করার পর দেশের একটি নির্ভরযোগ্য বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দর। যা এখন আন্তর্জাতিক বন্দরে পরিণত হয়েছে।

মতামত