টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

অশিক্ষিতের হাতে দেশ পড়লে কী হয় হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম, ২৪  জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস)::শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে ছাত্রলীগের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অশিক্ষিতের হাতে দেশ পড়লে দেশের কী হয় তা পঁচাত্তরের পর হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মিরজাফর মোসতাক ক্ষমতায় গিয়ে তিন মাসও টিকতে পারেনি। তার পেছন থেকে এসে ক্ষমতায় নিল জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান ছিলেন মেট্রিক পাস। তার স্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন মেট্রিক ফেল। তাদের সময়ে শিক্ষার হার কমেছিল, সাক্ষরতার হার কমেছিল।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সংগঠন ছাত্রলীগের পুনর্মিলনীতে এ কথা বলেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করা ছাত্রলীগের মতো আদর্শিক সংগঠন থাকলে কেউ বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে পারবে না বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু আন্দোলন-সংগ্রামে প্রথম নির্দেশ দিতেন ছাত্রলীগকে। বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে ছাত্রলীগ।

স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যিনি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাকে কেন রক্ত দিতে হয়, তাকে কেন জীবন দিতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন জাতি হবে তা পাকিস্তানিরা মানতে পারেনি। তাদের এ দেশের দোসররা তা মানতে পারেনি। তাই তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। এরপর আমরা দেখেছি দেশের একের পর এক কত ক্যু আর হত্যা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের টিকে থাকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর পাকিস্তানি শাসকচক্র ও এদেশে তাদের দোসররা ভেবেছিল বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগ আর দাঁড়াতে পারবে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নষ্ট করবে, স্বাধীনতার স্বপ্ন ধূলিস্যা’ করে দেবে। কিন্তু তারা পারেনি। কারণ বঙ্গবন্ধু আদর্শ রেখে গেছেন, ছাত্রলীগের মতো সংগঠন রেখে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করলে তা কখনো ধ্বংস হয় না। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ সেই আদর্শের রাজনীতি করে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে। আমরা যদি বাংলাদেশের আন্দোলন-সংগ্রামের দিকে তাকাই, প্রতিটিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে ছাত্রলীগ। প্রতিটি আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম নির্দেশ দিতেন ছাত্রলীগকে। বঙ্গবন্ধু যে নির্দেশ দিতেন ছাত্রলীগ তা বাস্তবায়ন করত।’

প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নতুন-পুরনো সব নেতাকর্মীকে অভিনন্দন জানান।

ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, এস এম জাকির হোসেইন প্রমুখ।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত