টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে হতদরিদ্ররা পৌরকরের আওতামুক্ত

চট্টগ্রাম, ২২ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: নগরীতে বসবাসরত দরিদ্র জনগোষ্টিকে “পৌরকর” আওতামুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এছাড়াও বিধবা ও অস্বচ্ছলদের পৌরকর সর্বনিম্ন পর্য্যায়ে রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রবিবার (২২ জানুয়ারি) সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত ৫ম পরিষদের ১৮ তম সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের অধীন রাঙ্গুনীয়াস্থ পোমরায় নির্মিত পানি শোধনাগারটি “শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার”বা “শেখ হাসিনা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট” নামকরনের প্রস্তাব গৃহিত হয়।

চলমান এসেসম্যান্ট শেষে নগরবাসীকে পৌরকর ধার্যের বিষয়ে অবহিত করা হবে। অবহিত হওয়ার পর ধার্য্যকৃত পৌরকরের বিষয়ে আপত্তি উত্থাপন করার সুযোগ থাকবে। কোন নগরবাসীর উপর পৌরকর আরোপের বিষয়ে কোন ধরনের অনিয়ম করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এছাড়াও সভায় ৪১ টি ওয়ার্ডে ডিজিটাল সেন্টার চালু, উদ্যান নির্মাণ, বাকলিয়া ষ্টেডিয়ামকে খেলার উপযোগী করা, ঠান্ডাছড়ি লেক রিসোর্ট এর পরিকল্পিত উন্নয়ন, ৩২৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, সবগুলো ওয়ার্ডে জঙ্গী প্রতিরোধ কমিটি গঠন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত সকল স্থাপনা, হাটবাজার, শপিংকমপ্লেক্স, স্কুল কলেজ এবং হাসপাতাল সহ সর্বত্র অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সংরক্ষণ করা এবং সম্ভাব্য দূর্যোগ মোকাবেলায় সেবক প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব সমূহ গৃহিত হয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচিত পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, অফিসিয়াল কাউন্সিলর, ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সিটি কর্পোরেশনের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন নিয়মের পরিবর্তে পুরনো নিয়ম অনুসারে স্থাপনার বর্গফুট অনুযায়ী গৃহকর আদায়ের দাবি জানায় ‘চট্টগ্রাম করদাতা সুরক্ষা পরিষদ’। ওই সংবাদ সম্মেলন থেকে গৃহকর নিয়ে সিদ্ধান্ত ঠিক করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে এক মাস সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এর মধ্যে দাবি না মানলে হরতালসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা।

গত বছরের ২১ মার্চ আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সিটি করপোরেশনের ‘পঞ্চবার্ষিকী কর মূল্যায়ন কর্মসূচি’ উদ্বোধন করে মেয়র নাছির গৃহকর আদায়ে ‘জিরো টলারেন্স’ থাকবে বলে জানিয়েছিলেন।

 

মতামত