টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

তিন বছরের মধ্যে শক্তিশালী পুঁজিবাজার: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ২২ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে পুঁজিবাজার অনেক শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে সংস্কারের জন্য গত কয়েক বছরে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আরও কিছু সংস্কার কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।

রবিবার সকালে রাজধানীতে মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে পুঁজিবাজারে ধস একটি আলোচিত ঘটনা। ২০১০ সালে এই ধসের পর বিনিয়োগকারীরা বাজারবিমুখ হয়ে যায়। ক্রেতা না থাকায় ব্যাংকের শেয়ারের দাম তলানিতে গিয়ে পৌঁছে। তবে প্রায় সাত বছর পর সম্প্রতি বাজারে আবার চাঙ্গাভাব দেখা দিয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবার আশার সঞ্চার হয়েছে। ব্রোকারেজ হাউজে ভিড় বেড়েছে।

বিশেষ করে ব্যাংকের শেয়ারের দাম বৃদ্ধির কারণে গত এক মাসে ঢাকার পুঁজিবাজারের প্রধান সূচক বেড়েছে ৫০০ পয়েন্টেরও বেশি। বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসার পর বাজার সংশ্লিষ্টরা বিনিয়োগকারীদেরকে সতর্ক করেছেন। স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষও ধার-কর্জ করে বা গয়না-জমি বিক্রি করে বাজারে না আসার পরামর্শ দিয়েছে। তবে বাজারে শেয়ারের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি স্বাভাবিক বলেও মনে করে সংস্থাটি বলেছে, বাজার এগুচ্ছে নিজস্ব গতিতেই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে আমরা বেশ কিছু কাজ করেছি। আশা করছি ২০২০ সালের মধ্যে আমরা একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার পাবো।’

অনুষ্ঠানে মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারী ও ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলোকে পরামর্শমূলক ও ইস্যু ম্যানেজমেন্ট সেবা দেবে।

মাইডাস ফিনান্স গত ১৬ বছর ধরেই দেশের আর্থিক খাতে অবদান রেখেছে। নতুন প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজাওে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরে স্বার্থ সংরক্ষণে কাজ করবে বলেও আশাবাদী অর্থমন্ত্রী।

মুহিত বলেন, আগে থেকেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ঋণ দিয়ে আসছে মাইডাস। ইতোমধ্যে মাইডাস দেশে বিদেশে অনেক সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বিবেচনা করলে মাইডাসের ভূমিকা অতুলনীয়।’

মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিক উল আজম বলেন, আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চির কৃতজ্ঞ তারা আমাদের মার্চেন্ট ব্যাংকের লাইসেন্স দিয়েছে।’ তিনি বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে চেষ্টা চালিয়ে আসছি। ইতোমধ্যেই আমরা ১৬ টি মাইলফলক অতিক্রম করে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সাইটে বেশিরভাগ মানুষের একটি আক্ষেপ থেকে যায়, তা হল এখানে কাজের ক্ষেত্র সীমিত। আমরা শিগগির এই সীমানা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্ট করব।’

মতামত