টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের দায়ে ৯ জনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম, ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: জালিয়াতির মাধ্যমে অগ্রণী ব্যাংকের পৌনে ১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার ওই ব্যাংকের তৎকালীন কর্মকর্তা এবং ছয় ব্যবসায়ীসহ ৯ জনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ টাকা করে অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। একই রায়ে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মীর রহুল আমিন এই রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডিতরা হলেন- অগ্রণী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখার প্রাক্তন ব্যবস্থাপক আনসারুল হক, প্রাক্তন ক্যাশ ইনচার্জ আব্দুস শুক্কুর ও ক্যাশিয়ার মঈনউদ্দিন চৌধুরী এবং খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী স্বপন কুমার ঘোষ, নূর ট্রেডার্সের মালিক আব্দুন নূর, মেসার্স আলম ব্রাদার্স এন্ড কোম্পানির মালিক জামাল উদ্দিন, মেসার্স পারভিন অটোমোবাইলসের মালিক কোরবান আলী, আজিজ এন্ড ব্রাদার্সের মালিক আজিজুর রহমান এবং রহমান এন্ড কোম্পানির মালিক শহীদুল আমান।

খালাস পাওয়া দুজন হলেন- অগ্রণী ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখার বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের প্রাক্তন ইনচার্জ ইছহাক চৌধুরী এবং খাতুনগঞ্জের হোসেন এন্ড ব্রাদার্সের মোহাম্মদ হোসেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। এর মধ্যে ৪০৯ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের সাজা দিয়েছেন আদালত। দন্ডিত ও খালাস পাওয়া ১১ আসামির মধ্যে শুধুমাত্র ইছহাক চৌধুরী আদালতে হাজির ছিলেন। বাকি ১০ আসামির সবাই পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নূর ট্রেডার্সের নামে ভূয়া আমদানি ঋণপত্র দেখিয়ে ৭০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেন আসামিরা। এ ঘটনায় ১৯৮৮ সালের ১৩ অক্টোবর দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তৎকালীন পরিদর্শক আবু মো. আরিফ সিদ্দিকী বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩১৮ টাকা ব্যাংকের ক্ষতিসাধনের একটি মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত