টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চাঞ্চল্যকর সেভেন মার্ডার মামলার রায় আজ

চট্টগ্রাম, ১৬ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ৭ খুনের মামলার রায় হতে যাচ্ছে আজ সোমবার। স্বজন হারানো পরিবারগুলো বলছে, খুনিদের মৃত্যুদণ্ড হলেই সঠিক বিচার পাবেন তারা।

নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে সোমবার। নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালত রায় ঘোষণা করবেন। গত বছরের ৩০ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

নিহতদের পরিবারসহ পুরো দেশের মানুষ অপেক্ষায় রয়েছেন সোমবার এই মামলার কি রায় হয়। সাত খুনের ঘটনায় নিহত দুইজনের পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি আলদা মামলা হয়েছিল ২০১৪ সালে। দুই মামলার বিচার চলে একসঙ্গে; বিচারক গত ৩০ নভেম্বর চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক শুনে রায়ের দিন ঠিক করে দেন।

তবে আলোচিত ৭ খুনের মামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রোববার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল এ আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর সঙ্গে আমিও আশা করি, এ মামলায় জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি হোক।’

নারায়ণগঞ্জের ঘটনাকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের কাজ হলো মানুষের জানমাল রক্ষা করা, মানুষের স্বাধীনতাকে সেফগার্ড করা। তারাই যদি অপরাধের সাথে জড়িত হয়ে যান সে অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য। অন্যান্য সাধারণ ব্যক্তিরা যেরকম প্রত্যাশা করেন, আমিও সেরকম প্রত্যাশা করে একটি বিচারের আশা করছি’।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের সামনে থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে অপহরণ করা হয়।

একই সময়ে একই স্থানে আরেকটি গাড়িতে থাকা নারায়ণগঞ্জ আদালতের প্রবীণ আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার চালককে অপহরণ করা হয়।

ঘটনার তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল বন্দর উপজেলা শান্তির চর এলাকায় শীতলক্ষ্যা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছয়জনের এবং ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রত্যেকের পেটে ছিল আঘাতের চিহ্ন; প্রতিটি লাশ ইটভর্তি দুটি করে বস্তায় বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এ ঘটনায় নিহত কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল পৃথক মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর পর ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের আদালতে ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মামনুর রশিদ মণ্ডল।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত