টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নাজিরহাট মন্দাকিনি সেতু ভেঙ্গে মালবাহী ট্রাকসহ খালে

মীর মাহফুজ আনাম
ফটিকছড়ি থেকে

চট্টগ্রাম, ১৫ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস)::  মালবাহী ট্রাকসহ ভেঙ্গে পড়ল নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়কের মন্দাকিনি খালের উপর দীর্ঘদিনের নড়বড়ে মন্দাকিনি সেতু। দুর্ঘটনায় ট্রাক চালকও তার দুই সহযোগী আহত হয়। তবে, তারা আশঙ্কা মুক্ত বলে জানা যায়। আজ ভোর সকালে একটি চুনবোঝাই ট্রাক সেতুটি দিয়ে পারাপারের সময় সেতুসহ ভেঙ্গে প্রায় তিশ ফুট নিচে খালে পড়ে যায়। ফলে নাজিরহাট- কাজিরহাট সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে উত্তর ফটিকছড়ি নাজিরহাট হতে এক প্রকার বিচ্ছন্ন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নাজিরহাট কলেজ গেইট থেকে সামন্য উত্তর পশ্চিমের এ বেইলি সেতুটি বহুদিন ধরে নড়বড়ে ছিল। ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় (এলজিইডি) সেতুর উভয় পার্শ্বে ভারী যান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এ সেতু দিয়ে ভারী মালবোঝাই গাড়ি চলাচল করে আসছিল প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে সুয়াবিলও হারুয়ালছড়ি এলাকার ২০ টিরও বেশি ইটভাটার ইটবাহী জীপ ও ট্রাক চলাচল করে থাকে।


ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসা সুয়াবিলের বাসিন্দা ও নাজিরহাাট পৌর কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও এ সেতু দিয়ে ভারী যান চলাচল করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে । একই সাথে আরেকটি বিষয় বলতে হয়, তা হচ্ছে সেতুটির পাশে বসবাস করা কিছু বস্তির টোকাই ছেলেরা সেতুর অনেক নাট বল্টু বিক্রির জন্য খুলে নিয়ে গেছে। এ দুর্ঘটনার জন্য তারও দায়ী।’

সুয়াবিলের ছাত্রনেতা মো. আইয়ুব এখানে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা করার দাবী জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের সবকিছু নাজিরহাট কেন্দ্রিক । সুয়াবিলসহ উত্তর ফটিকছড়ি এ সড়কের উপর নির্ভরশীল। এ দুর্ঘটনার জন্য ব্রিক ফিল্ড (ইট ভাটা) ও কম দায়ী নয়। প্রতিদিন তাদের ইট বোঝাই ভারী যান চলাচল করছে এ সড়ক দিয়ে। আপতত বিকল্প ব্যবস্থা করে দিতে তাদেরও এগিয়ে আসা উচিৎ।

উপজেলা প্রকৌশলী ম.বিল­াল হোসেন বলেন, ‘এখানে অনেক আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নত করে সাইনবোর্ড টাঙ্গানো হয়েছিল। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। উর্ধ্বতন কৃর্তপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানিয়েছি।’

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত