টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গাউন!

চট্টগ্রাম, ১৫ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার পর গত ২৪ বছরে এই প্রথম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৭ জানুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনের জন্য ১৭৯৫ ছাত্র এবং ৩১৩৭ ছাত্রী রেজিস্ট্রেশন করেছেন।

রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রত্যেকের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেটের জন্য ৩ হাজার এবং যারা দু’টি সার্টিফিকেট অর্থাৎ অনার্স এবং মাস্টার্সের সার্টিফিকেট নেবে তাদের কাছ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

সমাবর্তন উপলক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৩, ১৪ ও ১৫ জানুয়ারির মধ্যে গাউন সংগ্রহ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দিলে শিক্ষার্থীরা গাউন সংগ্রহ করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয় যায়। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের গাউনে লেখা রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া অনেকের গাউন ছেড়া, অনেকের ক্যাপে সুতা নেই। আবার কারো কারো গাউনের ভেতর থেকে তেলাপোকা বের হচ্ছে, কিছু কিছু গাউন থেকে বাজে গন্ধ বেরও হচ্ছে।

সমাবর্তনের দিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মোবাইল, ক্যামেরা, টাকা কিছুই নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া সমাবর্তনের সময় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনে অভিভাবকদের সঙ্গে নেওয়া গেলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে অভিভাবকরা যেতে পারবেন না। এ সব কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছে।

সিটি কলেজের অ্যাকাউন্টিংয়ের ০৫-০৬ সেশনের ছাত্রী মমতাজ আক্তার বলেন, ‘আমি কুযেতে থাকি। আমার স্বামীর এখন ছুটি। ছুটি উপলক্ষে আমেরিকাতে আমাদের ঘুরতে যাওয়ার কথা কিন্তু সমাবর্তনের কারণে দেশে এসেছি। কিন্তু ঢাকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে গিয়ে গাউনে চিটাগাং বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসম্মান বলে কি কিছু নেই?’

সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারী শারমিন সুলতানা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের ফেসবুক পেজে গাউনের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কী করলো এটা!!!একটা ড্রেস বানানোরও অ্যাবিলিটি নাই!!!!!! টাকা নিয়া করলোটা কি???? চিটাগাং ইউনিভার্সিটির গাউন##গন্ধযুক্ত গাউন# সাথে তেলাপোকাও আছে…’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল হোসেনের মোবাইলে গাউন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের সঙ্গে আমার কথা বলার কোনো অনুমতি নেই।’

এরপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর হারুন-অর রশীদের মোবাইলে কল দিলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।- পরিবর্তন

মতামত