টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চসিকের চলমান কর পুনর্মূল্যায়ন কার্যক্রম বন্ধ না হলে হরতালের হুমকি

চট্টগ্রাম, ১২  জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস)::  চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) চলমান কর (হোল্ডিং ট্যাক্স) পুনর্মূল্যায়ন কার্যক্রম ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করে আগের নিয়মে কর আদায় না হলে হরতালসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে চট্টগ্রাম করদাতা সুরক্ষা পরিষদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

দাবি মানা না হলে ধারাবাহিকভাবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, মানববন্ধন, অনশন, গণসমাবেশ, বিক্ষোভ এবং চট্টগ্রামে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, চট্টগ্রাম নগরে স্থায়ীভাবে বসবাসরত বাসিন্দাদের স্থাবর সম্পত্তির ওপর ১৭ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করে সিটি করপোরেশন সম্প্রতি একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছে। সে অনুযায়ী কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ট্যাক্স নির্ধারণের কাজ শুরু করেছে। অথচ আগে পুরো বাড়ি মেপে বর্গফুটের হিসাবে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হতো। এখন মোট বাড়ি ভাড়ার ওপর নির্ধারণ করা হচ্ছে। ১৯৮৬ সালের সরকারি অধ্যাদেশ সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মীর নাছির, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও মনজুর আলমের সময়েও ছিল। নগরবাসীকে ভালোবেসেই উনারা এ প্রক্রিয়ায় কর নির্ধারণ থেকে বিরত ছিলেন। বর্তমান মেয়র যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করছেন সেটাকে আমরা অন্যায়, অন্যায্য ও জুলুম মনে করছি।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস পপি বলেন, এ পদ্ধতি চালু হলে বাড়ির মালিকদের ওপর চাপ পড়বে। তারা ঘর ভাড়াও বাড়িয়ে দেবে। এর চাপ গিয়ে পড়বে ভাড়াটিয়াদের ওপর। মেয়র বলছেন এটা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় করছে। এতে উনার হাত নেই। তিনি যেহেতু নিজেকে নির্বাচিত মেয়র দাবি করেন, তাই জনগণের পক্ষে সরকারের সাথে দেন-দরবার করা উনার দায়িত্ব।

সাবেক কাউন্সিলর এমএ মালেক, রাজধানীতে এখনো ১৪ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স দেয়। চট্টগ্রামে কেন ১৭ শতাংশ দেবে?

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের আহ্বায়ক হাকিম মুহাম্মদ উল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক, সারওয়ার আলম, মো. সিদ্দিকুল ইসলাম, মো. মুজিবুল হক, হাসান মারুফ রুমি, সিরাজুল ইসলাম, কামাল উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ খান প্রমুখ।

মতামত