টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

রামগড়ে খাল ভরাট করে মৎস হ্যাচারী তৈরীর চেষ্টা

করিম শাহ
রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ১২  জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস)::  খাগাড়ছড়ির রামগড় পৌরসভার চৌধুরী পাড়া ও মহামুনী বিস্তৃর্ণ ধান্য জমির বুকচিরে পাকিস্তান আলম থেকে প্রবাহমান তৈছালা খাল দখল করে মৎস হ্যাচারী নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। খালটির পানি রামগড় পৌর একালার এক তৃতীয়াংশ ফসলি জমির পানি নিস্কাসন ও চেস কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে এবং বর্ষা মৌসমে সোনাই খাল হয়ে ফেনী নদীতে দ্রুত পানি সরে যাওয়ার প্রধান মাধ্যম। তৎকালীন রামগড় ইউপি চেয়ারম্যান প্রয়াত কাজী রহুল আমীন ও সর্বশেষ গত কয়েক বছর আগে বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য মংশেপ্রু চৌধুরী অপু এলাকার কৃষকদের উন্নয়নে খালটি সংস্কার কাজ করেন।

সরে জমিনে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারী) দুপুর ১টায় উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-মামুন মিয়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামান্না নাসরীন উর্মি, উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান আবদুল কাদের, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাচির উদ্দিন চৌধুরী, অফিসার ইনচার্জ মাইন উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর আবুল কাশেম ও শামীমসহ প্রমুখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে জমির মালিক ভূবন মোহন ত্রিপুরার নিকট প্রয়োজনিয় কাগজপত্র চাইলে তিনি তাঁর নামে জমি বন্ধবস্তী আছে দাবী করলেও দেখাতে পারেননি এবং খাগড়াছড়ি আছে বলে জানান পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে অবৈধ ভাবে মৎস হ্যাচারী নির্মান কাজ বন্ধ করা নির্দেশ প্রদানসহ জমির মালিককে প্রকৃত কাজগপত্র দ্রুত প্রদর্শনের নির্দেশনা প্রধান করা হয়।

স্থানিয়দের অভিযোগ, পাকিস্তান আমল থেকে প্রবাহমান খালটি এই অঞ্চলের কৃষক ও বর্ষা মৌষমে জলাবদ্ধতার মুক্তির অবলম্বন হলেও বর্তমানে অসাধু ব্যবসায়ীর প্রলোবনে জমিল মালিক দাবীকারী ভুবন মোহন ত্রিপুরা তিনটি মাটি কাটার বোলডোজার দিয়ে প্রায় দশ একর জায়গা জুড়ে খালটির দুই পাশে ফসলি জমির মাটি দিয়ে জলাভূমি তৈরীর অপ-চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এসময় কৃষক ও স্থানিয়রা খালটি উদ্ধার করে কৃষক ও কৃষকদের জমি রক্ষার দাবী জানান উপজেলা প্রশাসনের নিকট।

সহাকরী কমিশনার (ভূমি) তামান্না নাসরীন উর্মি জানান, অভিযোগ পেয়ে আমরা এলাকাটি পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখান নির্দেশ দিয়েছি এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারীর কে জমির প্রকৃত কাজগপত্র দেখাতে বলা হয়েছে অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাচির উদ্দিন চৌধুরী জানান, জমির মালিক যেই হোক এভাবে খাল বরাট করে মৎস হ্যাচারী করার নিয়ম নেই। খালটি দখল মুক্ত না হলে রামগড় পৌর এলাকার এক তৃতীয়াংশ ফসলী জমি চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং বর্ষাকালে আশপাশের জমি ও বাড়ি তলীয়ে যাবে।

মতামত