টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে’

চট্টগ্রাম, ০৮ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: আজ রোববার বেলা পৌনে ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে নবনির্মিত সিকিউরিটিজ কমিশন ভবনের ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার উন্নত অর্থনীতি গড়ে তোলার অন্যতম শর্ত। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিকাশে পুঁজিবাজারের অবদান বাড়ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করতে শিল্প ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে দীর্ঘমেয়াদীয় বিনিয়োগের অন্যতম উৎসব হিসেবে পুঁজিবাজারের সুদৃঢ় অবস্থান আমাদের কাম্য।

তিনি বলেন, দারিদ্র বিমোচনের মূল চালিকাশক্তি অর্থনৈতিক উন্নতি। আর্থিক খাতের অন্যতম স্তম্ভ পুঁজিবাজারের বিকাশে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি। একটি স্থিতিশলী, স্বচ্চ, জবাবদিহিতামূলক পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। ফলে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। বিশ্বে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার দ্রুত বিকাশমান সম্ভবনাময় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে পৌঁছাবে বাংলাদেশ

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার আগে কোম্পানির বার্ষিক আয়, আর্থিক বিবরণী, উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে হবে।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সরকার ও অর্থমন্ত্রীকেই দায়ী করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। মূলত পুঁজিবাজার সম্পর্কে কোনো জ্ঞান অর্জন না করে বিনিয়োগ করার ফলেই ক্ষতির মুখে পড়ে তারা।

এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন ভবনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলক উন্মোচনের পর দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বিএসইসির চেয়ারম্যান এম. খায়রুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার শেরেবাংলা নগরে ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে শূন্য দশমিক ৩৩ একর জমিতে ‘সিকিউরিটিজ কমিশন ভবন’ নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর শেখ হাসিনা এ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

নকশা অনুযায়ী, ১০ তলা এ ভবনের মোট আয়তন ৮৯ হাজার ২৫০ বর্গফুট। বিএসইসির নিজস্ব অফিস ছাড়াও আন্তর্জাতিক মানের কনফারেন্স হল, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারের এজলাস, লাইব্রেরি, ডে-কেয়ার সেন্টার ও ক্যান্টিন থাকবে এ ভবনে।

মতিঝিলের পুরনো অফিস থেকে ধাপে ধাপে কমিশনের সব কার্যক্রমই নতুন ভবনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত