টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

হালদার বোট পতেঙ্গায় কেন: প্রশ্ন ফজলে করিমের

চট্টগ্রাম, ০৭ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস): হালদা নদীতে মাছের প্রজনন রক্ষা করা নিয়ে জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের রয়েছে খুব বেশি গাফিলাতি মন্তব্য করে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘যারা বড়শি দিয়ে রাতে মাছ ধরে তাদের ধরতে আমি হালদা নদীতে একটি স্পিড বোট দিয়েছি। সেটা এখন হালদা নদীতে নেই। আমি জেনেছি, বোটটি এখন পতেঙ্গায়। আমিতো পতেঙ্গার জন্য স্পিড বোট দিইনি। হালদা নদীতে মাছের প্রজনন সংরক্ষণে এই মৎস্য অধিদপ্তরের খুব বেশি গাফিলাতি আছে।’

পিকেএসএফ ও আইডিএফ এর যৌথ সহযোগিতায় শনিবার (৭ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ‘হালদা নদীতে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পিকেএসএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক মুখ্য সচিব মো. আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সেকান্দর খান।অন্যদের মধ্যে পিকেএসএফ এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের, জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন, পুলিশ সুপার মো.নুরে আলম মিনা, রাউজান উপজেলার চেয়ারম্যান এহেছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল বক্তব্যে দেন।

এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অধ্যাপক শহীদুল আমিন চৌধুরী, সেমিনারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে বক্তব্য দেন জহিরুল ইসলাম এবং হালদা নদীর বর্তমান অবস্থা ও করণীয় সম্পর্কে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া।

প্রধান অতিথি বলেন,  হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট নদীর পাড় দিয়ে হাঁটবে। পরিবেশ দূষণকারী ও অবৈধ কোনো কিছু দেখলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। নদীর পাশ ঘেঁষে গড়ে উঠা অবৈধ কলকারখানা ভেঙে দিতে হবে। তবেই এই নদী বাঁচবে

তিনি বলেন, ‘নদীতে মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সংরক্ষণে পরিবশে অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি নদীর পাড়ের মানুষকেও অনেক দায়িত্ববান হতে হবে।’

জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন বলেন, ‘হালদা নদী রক্ষায় সেমিনারে যে সব প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তা রাখার জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সবসময় সচেষ্ট থাকবে। বিশেষ করে নদীতে বালু উত্তোলনের যে ইজারা তাও নির্দেশনা আলোকে দেওয়া হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে।’

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত