টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের খসড়া অনুমোদন

চট্টগ্রাম, ০২ জানুয়ারি ২০১৭ (সিটিজি টাইমস):: জেল জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধির বিধান রেখে চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষ উন্নয়ন আইন ২০১৬ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া বৈঠকে আরও দুটি আইনের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো- হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউশন আইন ২০১৬ এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন ২০১৬।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এসব আইনের খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৬ এ বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পদে থেকে কেউ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবেন না। কেউ ব্যবসা করলে সাজা হিসেবে সর্বনিম্ন দুই বছরে কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানাসহ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সীমানাপ্রাচীর বা পিলার কেউ বেআইনিভাবে অপসারণ করলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হবে। এর আগে এই পরিমাণ ছিল ২০০ টাকা।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে শফিউল আলম জানান, ‘১৯৫৯ সালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনটিকে আধুনিক করা হয়েছে। রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটে যে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই আইনটিকে যুগোপযোগী করা হয়েছে।’

(৭০) ধারায় বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সীমানা প্রাচীর ও পিলার সরাতে অস্বীকৃতি জানালে তার ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। সীমানা প্রাচীর কাঁচা হলে ৫০ হাজার টাকা এবং পাকা হলে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হবে। মাস্টার প্লান ভায়োলেশন করে যদি কেউ জমি ব্যবহার করে তাহলে তার সর্বোচ্চ দশ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে এই পরিমাণ ছিল এক হাজার টাকা।

হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ আইনে সংস্থাটির প্রধানের পদ পরিচালক থেকে মহাপরিচালক করা হয়েছে। সংস্থার প্রধান কাজ হচ্ছে গবেষণা করা। ১৯৭৭ সালে সামরিক আইনের একটি অধ্যাদেশ দিয়ে আইনটি চলত। তখন আইনটি ছিল ইংরেজিতে। সেটি এখন বাংলায় করা হয়েছে। এতে থাকবে ২০ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত