টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

জেলা পরিষদ নির্বাচন: চট্টগ্রামে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

প্রধান প্রতিবেদক
সিটিজি টাইমস ডটকম

চট্টগ্রাম, ২৭ ডিসেম্বর, সিটিজি টাইমস::  দেশের ৬১ জেলা পরিষদের মতো চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনেও ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জেলা ও উপজেলার সকল ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে পাঠানো হয়েছে।

আগামিকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে ভোটকেন্দ্রসমুহে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চলবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম জেলা ও ১৫ উপজেলায় স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে সকালে একই সময়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রামের মোট ২ হাজার ৫৪১ জন ভোটার নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

সূত্র আরও জানায়, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এম এ সালাম। ফলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন নিয়ে তেমন কোন আলোচনা না হলেও সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য পদের নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় চলছে। পরিষদের ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য পদে ৫৩ জন প্রার্থী লড়ছে বলে সূত্র জানায়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শামসুল আরেফিন জানান, চেয়ারম্যান পদে ভোটগ্রহণ না হলেও সদস্য পদে সুষ্ঠভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তায় র্যাব-পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবে বলে জানান তিনি।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

2 comments

  1. ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগের উন্নয়ন কাজ থামানো যাবে না ॥

  2. পটিয়া উপজেলার ১৮৩ জনপ্রতিনিধিকে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে এনে রেখেছেন ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী। তাদের জন্য ভূরিভোজেরও আয়োজন করেছেন এই সংসদ সদস্য।

    এসব জনপ্রতিনিধিরা বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার জন্য জনপ্রতিনিধিদের রাজি করাতে সংসদ সদস্য এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে পটিয়ায় আলোচনা চলছে।

    জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ১৩টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্য মিলে ১৮৫ জন আছেন। এর মধ্যে দুজন কারাগারে আছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে নগরীর স্টেশন রোডে পর্যটন কর্পোরেশনের মোটেল সৈকতে আসতে শুরু করেন জনপ্রতিনিধিরা। রাত ৮টার মধ্যে অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি মোটেল সৈকতে উপস্থিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পটিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামাল উদ্দিন বেলাল।

    তিনি বাংলানিউজকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার এমপি সাহেবের মেয়ের বিয়ে হয়েছে। সেই বিয়েতে যারা হাজির ছিলেন না তাদের দাওয়াত দিয়ে আনা হয়েছে। এখানে নির্বাচন নিয়ে কোন কথা হচ্ছে না।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কাউন্সিলর বাংলানিউজকে বলেন, এমপি সাহেব সিদ্ধান্ত দিয়েছেন রাতে সবাই হোটেলে থাকবেন। সকালে একসঙ্গে ভোট দিতে পটিয়া যাবেন। রাতে নির্বাচন নিয়ে তিনি সবার সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    এই বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী প্রথমে বাংলানিউজকে বলেন, যারা এসেছে তারা তো সাধারণ মানুষ নয়। তারা যদি একদিন শহরে এসে একটু আনন্দ-উৎসব করতে চায়, আমি বাধা দেওয়ার কে ?

    পরে আবার বলেন, আমার মেয়ের ওয়ালিমায় যারা আসতে পারেনি তাদের বলেছি, তোমরা সবাই একদিন এসে খেয়ে যাও। মোটেল সৈকতে আমি তোমাদের জন্য ব্যবস্থা করেছি।

    জেলা পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সাংসদ বলেন, আমি সদস্য পদে দেবব্রত দাশকে সমর্থন দিয়েছি। তিনি দলের নেতা হিসেবে ৮ বছর ধরে আমার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডের সহযোগী। একজন হিন্দুর ছেলেকে কেন মনোনয়ন দিলাম সেজন্য দলের অনেকে আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়েছে। আমি অসাম্প্রদায়িক মানুষ, আমি তো হিন্দু-মুসলিম বিভেদ করতে পারি না।

    ‘আমি হিন্দুর ছেলেকে কেন নমিনেশন দিলাম, তারা টাকা ছিটিয়ে আমার প্রার্থীকে পরাজিত করতে চাচ্ছে। মেম্বার-চেয়ারম্যানদের কাছে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। এভাবে তো আমি তাদের উদ্দেশ্য সফল করতে দিতে পারি না। ’ বলেন সাংসদ শামশুল হক ।

মতামত