টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নানুপুর লায়লা-কবির কলেজ চট্টগ্রামে একটি মডেল কলেজ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী জাবেদ

মীর মাহফুজ আনাম
ফটিকছড়ি থেকে

চট্টগ্রাম,১৮ ডিসেম্বর, সিটিজি টাইমস :  ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর-লায়লা কবির ডিগ্রি কলেজের দু‘দিন ব্যাপি রজত জয়ন্তী উৎসব ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় আজ রোববার ছিল সমাপনী। সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হয় দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি বলেন, ‘নানুপুর লায়লা-কবির ডিগ্রী কলেজ চট্টগ্রামে একটি অন্যতম মডেল কলেজ। ব্যক্তি উদ্যোগে এ ধরণের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে বিশাল মনের পরিচয় দিয়েছিলেন সাবেক সাংসদ রফিকুল আনোয়ারের পরিবার।

প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পুনর্মিলনী সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, এখন যোগাযোগের অনেক নতুন পদ্ধতি রয়েছে। তবে কাছে না এলে একটা অসম্পূর্ণতা থেকে যায়। এই রজত জয়ন্তী ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পুনর্মিলনী সবার মিলিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। আমি এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজকদের সাধুবাদ জানাই।’

বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এম এ ছালাম, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহেদা ইসলাম, লায়লা-কবির ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। রজত জয়ন্তী উদ্যাপন পরিষদের মহাসচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ আ ন ম সরওয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বখতিয়ার সাঈদ ইরান।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ফখরুল আনোয়ার, নরুন্নবী রওশন, প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের সহ-সভাপতি মোরশেদুল আলম।

উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আফতাব উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম, উদ্দিন মুহুরী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. এরশাদ, সহ সভাপতি আদিত্য নন্দী, সদস্য মুনতাহা মহি, চট্টগ্রম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহম্মেদ ইমু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, চবি ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন, উত্তরজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব প্রমুখ।

দ্বিতীয় পর্বে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ মূলক আলোচনা সভা শুরু হয় বিকেল ৪টায়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান। লেখক ও সাংবাদিক শওকত বাঙ্গালী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের সভাপতি মো. আশরাফুল আলম। সঞ্চালনা করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন রবিন।

সাংবাদিক আবেদ খান বলেন, ‘একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি বাতি ঘরের মত। এতে যত আলো জালাবেন ততই প্রজ্জ্বলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরে আলো ছড়িয়ে দিয়ে প্রমান করেছে প্রতিষ্ঠানটি এতদ্বাঞ্চলে অতুলনীয় বাতিঘর।’
সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বেতার এবং টেলিভিশনের খ্যাতনামা শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন।

মতামত