টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ছয় নেতা স্থায়ী বহিষ্কার

চট্টগ্রাম, ১১ ডিসেম্বর  ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):  সহিংসতার জড়িত থাকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছয় নেতাকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ। এরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি রকিবউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু তোরাব পরশ, সাংগঠনিক সম্পাদক আরমান মিয়া, আপ্যায়ন সম্পাদক মিজানুর রহমান, সদস্য সাইদুল ইসলাম সাঈদ এবং আরিফুল হক অপু।

এদের মধ্যে আবু তোরাব পরশ, আরমান মিয়া, মিজানুর রহমান এবং আরেফুল হক অপু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রলীদের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরী হত্যা মামলার আসামি।

বিকালে ছাত্রলীগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের এতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, নিন্মোক্ত ব্যক্তিদের দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠন বহির্ভূত কাজে জড়িত থাকায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো।’

সম্প্রতি ছাত্রলীগের উপদলীয় কোন্দলে প্রায়ই সহিংসতা হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ একে আত্মহত্যা বললেন নিহতের স্বজন করেছেন হত্যা মামলা। এতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগেরই বেশ কয়েকজন নেতাকে আসামি করেছেন।

দিয়াজের মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন উত্তেজনা চলছে, তখন গত ৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই পক্ষে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ঘটনা তদন্তে একটি দল পাঠায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সংগঠনের সহসভাপতি কাজী এনায়েতের নেতৃত্বে এই কমিটিতে ছিলেন আরেক সহসভাপতি আরিফুর রহমান লিমন, সাকিব হাসান সুইম এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চন্দ্র শেখর মণ্ডল। এই কমিটিতে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলে কেন্দ্রীয় কমিটি।

ছাত্রলীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, এই তদন্ত দলের উপস্থিতিতেই বহিষ্কার করা নেতারা সংগঠনের অপর অংশের ওপর হামলা করে। এদের কারণে তদন্তে যাওয়া নেতারা তাদের কাজ অসমাপ্ত রেখেই ফিরে আসতে বাধ্য হন। এরপর তাদের কাছ থেকে সব শুনে এই ছয় জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইন বলেন, ‘যারা ঝামেলা করেছে, তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর যাদেরকে ঘটনার তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল, তাদের প্রতিবেদন দেখে বাকি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

মতামত