টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বঙ্গোপসাগরে বার্ষিক নৌ মহড়া সমাপ্ত, প্রথমবারের মতো মিসাইল উৎক্ষেপণ

চট্টগ্রাম, ১০ ডিসেম্বর  ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):  জলে, স্থলে ও আকাশে থাকা শত্রুপক্ষের যে কোনো হুমকি ধ্বংসে সক্ষম মিসাইলের প্রায়োগিক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর বার্ষিক চূড়ান্ত মহড়া ‘সেফ গার্ড’ ২০১৬।

নৌবাহিনীর ৫৩টি যুদ্ধজাহাজ সব ঘাঁটি মিরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার, হাইস্পিডবোট ও আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত নৌ-কমান্ডো দল সমাপনী দিবসে কাল্পনিক শত্রুপক্ষকে সফলভাবে নির্মূল করার মাধ্যমে মহড়া সম্পন্ন করে।

সেফ গার্ড ২০১৬ সমাপনী দিনে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। প্রধান অতিথি বানৌজা বঙ্গবন্ধুতে এসে পৌঁছলে নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

এ সময় সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নৌবাহিনী প্রধন এডমিরাল নিজাম উদ্দিন, কমান্ডার বিএন ফিল্ট কমডোর শেখ আরিফ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

মহড়ার উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল নৌবাহিনীর জাহাজসমূহ থেকে ভূমিতে, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান বিধ্বংসী কামানের গোলাবর্ষণ, সাবমেরিন বিধ্বংসী গোলাবর্ষণ, সারফেস ফায়ারিং, হেলিকপ্টার ডেক ল্যান্ডিং, সোয়াডস ও কমান্ডো টিম কর্তৃক সমুদ্রে শত্রু পক্ষ দ্বারা অধিকৃত এবং অপহৃত জাহাজের ব্যক্তিদের উদ্ধার।

এ সময় নৌবাহিনী প্রধান বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আগামী এক মাসের মধ্যে সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে নৌবাহিনী একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনীতি পরিণত হচ্ছে।

মহড়া শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু যে আধুনিক নৌবাহিনীর স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেভাবেই নৌবাহিনীকে সাজাচ্ছেন। দেশের সমুদ্রসীমা এবং এর থেকে সমুদ্র সম্পদ আহরণে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখন সক্ষমতা সম্পন্ন বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত