টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

“বঙ্গবন্ধুর মতো বিশাল হৃদয় নিয়ে কাজ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী”

ছবি: সিটিজি টাইমস

চট্টগ্রাম, ০৯  ডিসেম্বর  ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):: ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সেসময়ের নেতাদের চাপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠে জিয়াউর রহমান বাধ্য হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো বিশাল হৃদয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সার্বক্ষণিক লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে। আশা করি, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ নিষ্ঠার সাথে এই পবিত্র কর্তব্য পালনে অগ্রবর্তী বাহিনীর ভূমিকা পালন করবে।

শুক্রবার (০৯ ডিসেম্বর) বিকেলে এমএ আজিজ স্টেডিয়াম চত্বরে বিজয় শিখা প্রজ্বালনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার ‘বিজয় মঞ্চের’ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

জাতীয় ও বিজয় মেলার পতাকা উত্তোলনসহ বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বিজয় মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “দুঃসময়ে বাংলাদেশের জেগে ওঠার শক্তি হিসেবে গর্জে উঠেছিল বিজয় মেলা। এই বিজয় মেলা শুধু আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয় বরং জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদক ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিসত্তার মুক্তমঞ্চ।”

এর আগে বিকালে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের বিজয় শিখা চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় শিখা প্রজ্জ্বলন করা হয়।

এরপর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ঘোষণা পত্র পাঠ করেন বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান বদিউল আলম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী ও নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন।

বিজয় মঞ্চে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। পরে বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

মতামত