টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে ৩ কোটি ১৬ লাখ ডলারে সহায়তা

চট্টগ্রাম, ০১ ডিসেম্বর  ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):: পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে ৩ কোটি ১৬ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থের সহায়তা দিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কার্যালয়ে এ সংত্রান্ত এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ইআরডির অতিরিক্ত সচিব শামিমা নার্গিস ও ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. সুদীপ্ত মূখার্জি স্বাক্ষর করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দারবান) অধিবাসীদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি আগামী ৫ বৎসরে বাস্তবায়িত হবে। এটি ২০০৩ সাল থেকে বাস্তবায়িত ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন ও আস্থা বির্নিমাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের ধারাবাহিকতা। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে প্রথমবারের মত বৃহৎ উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে ২০০৩ সাল থেকে সক্রিয়, বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপি এর ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তা’ কর্মসূচির আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

চুক্তির আলোকে প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৮৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার এর সংস্থান হবে ডেনমার্ক থেকে; দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার, ইউএসএইড থেকে ৩৪ লাখ ৯০ হাজার আর বাংলাদেশ সরকার দেবে ৫ লাখ ডলার। অবশিষ্ট ১২ লাখ ডলারের যোগান দেবে অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাসমূহ।

অতীতের মতোই বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রকল্প কার্যক্রমের সার্বিক দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবে। সেইসঙ্গে প্রকল্প থেকে প্রত্যাশিত ফলাফলের জন্যও তারা দায়ী থাকবে।

১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার বদ্ধ। এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান আব্দুল মতিন বলেন, শান্তি চুক্তিতে উন্নয়ন ও আস্থা বিনির্মাণে এ প্রকল্প কাজ করবে। কেননা চুক্তির উদ্দেশ্য এখনও পুরোপুরি অর্জন করা যায়নি।

ইউএনডিপি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. সুদীপ্ত মূখার্জি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদ্যমান উন্নয়ন প্রতিবন্ধকতাসমূহকে বিবেচনায় নিয়েই এই নব পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। জনগোষ্ঠীসমূহের অন্তর্ভুক্তি এ প্রকল্পের একটি প্রধান দিক। বস্তুত সামাজিক উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নয়নের বিশেষ ভূমিকা থাকবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত