টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

তামিম ঝড়ে টানা চার জয় চিটাগাংয়ের

চট্টগ্রাম, ২৯  নভেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):: চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) তার ব্যাট হেসেছে নিয়মিতই। কেবল ঘরের মাঠ চিটাগংয়ের পর্বেই বড় স্কোর করতে পারেননি তামিম ইকবাল। কিন্তু ঢাকায় ফিরেই আবারো ঝলসে উঠেছে ভাইকিংস অধিনায়কের ব্যাট। তাতে আরেকটি ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে চিটাগং। মঙ্গলবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইটান্সের ছুঁড়ে দেওয়া ১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ এক ফিফটি করে ৫ উইকেটের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তামিম।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শুরুতে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান তোলে খুলনা টাইটান্স। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সর্বোচ্চ ৪২ রান করেছেন। জবাবে তামিম ইকবালের অপরাজিত ৬৬ রানে ৮ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয়ে নোঙর ফেলে চিটাগং ভাইকিংস।

এই জয়ে ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে এসেছে চিটাগং। অবশ্য শীর্ষ দল ঢাকা ডায়নামাইটস ও তিনে থাকা খুলনা টাইটান্সেরও পয়েন্ট থাকল ১২ করেই। তবে রানরেটে এগিয়ে ঢাকা শীর্ষে আর পিছিয়ে খুলনা তিনে থাকছে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ক্রিস গেইলকে (১৯) নিয়ে ৩৯ রানের জুটি গড়ে দেখেশুনে এগোতে থাকেন তামিম। পরে এনামুল হক বিজয় (৩), শোয়েব মালিক (১) ও জাকির হাসান ৩ রানে দ্রুত সাজঘরে ফিরলে চাপে পড়ে ভাইকিংসরা।

তখনো একপ্রান্ত আগলে ছিলেন তামিম। তাই চাপ কাটিয়ে ওঠাও সহজ হয়েছে। এসময় জহুরুল ইসলামকে (২২) নিয়ে ৩৭ রানের জুটি গড়ে জয় নিকটে আনতে থাকেন চিটাগং অধিনায়ক। শেষদিকে তাকে সঙ্গ দিয়েছেন মোহাম্মদ নবি (১৭*)।

নবি ২ চার ও ১ ছয়ে ৮ বলে ১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। আর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সময় তামিমের নামের পাশে ছিল অপরাজিত ৬৬ রানের সংগ্রহ। ৮ চার ও ১ ছয়ে ৫৯ বলের অধিনায়কোচিত ইনিংসটি সাজিয়েছেন এই বাঁহাতি।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে খুলনা। তাইবুর রহমানকে (১) দিয়ে শুরু, বিপদ বাড়িয়ে দ্রুত ফিরে যান অলক কাপালি (৩) ও শুভাগত হোম (২) রানে। সম্ভাবনা জাগিয়ে ব্যক্তিগত ২০ রানে রিকি ওয়েসেলস ফিরে গেছে সেই বিপদ আরো বাড়ে টাইটান্সদের।

সেখান থেকে অবশ্য আরিফুল হককে (১৮) নিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। সেটি থামে ৪৪ রানে। পরে মাহমুদউল্লাহও বেশিদূর এগোতে পারেননি। তাসকিনের বলে জাকিরের হাতে জমা পড়ার আগে ৪২ রান তুলেছেন খুলনার অধিনায়ক। ৪ চার ও ১ ছয়ে ৩৯ বলে এই সংগ্রহ গড়েছেন তিনি।

খুলনার সংগ্রহটা ভদ্রস্থ জায়গায় যাওয়ার পেছনে অবশ্য শেষের দিকে অবদান নিকোলাস পোরান ও কেভন কুপারের। দুজনে ৪ ওভারে ৩২ রান যোগ করেছেন। কুপার ২ চারে ১৪ বলে ১৫ রানে ফিরেছেন। আর পোরান ফিরেছেন ১টি করে চার-ছয়ে ১৭ বলে ১৮ রানে।

চিটাগংয়ের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও ইমরান খান ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। নবি, শুভাশিষ ও সাকলায়েনের ভাগে গেছে ১টি করে উইকেট।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত