টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ভাষণ কম, অ্যাকশন বেশি: ওবায়দুল কাদের

চট্টগ্রাম, ২৬ নভেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস)::   শনিবার রাজধানীর গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন। প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ৪৫ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে কথা বললেন তিনি। তবে এর এক পর্যায়ে তিনি এও বললেন, মানুষ এখন ভাষণ বেশি দেয়।

দুপুরে রাজধানীর গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ মিলনায়তনে এই কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বক্তৃতা একটা আর্ট। এটা অনেকই হাসাতেও পারে কাঁদাতেও পারে। অনেকই বিরক্ত হয়েও বক্তৃতা শুনেন, কারণ নেতার সামনে বসে শুনতে হয়। কার ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে। কেউ না শুনলেও জোর করে শোনাতে হয়। এটার পরিণতি ভালো নয়।’

‘কত যে গল্প, সেই ১৯৪৯ সাল থেকে শুরু করে। মনে হয় সোনাবানুর পুথি বলতেই থাকে, সেটা শেষ হয় না’-বলেন ওবায়দুল কাদের।

কোনো অনুষ্ঠানে বেশি কথা বললে কেউ দাম দেয় না বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা। বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় এ সকল বক্তার কোন শ্রোতাও থাকে না। থাকে শুধু মাইকওয়ালা তাঁর মাইকের জন্য, আর যিনি শামিয়ানার মালিক তার ভাড়ার জন্য থাকে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নেতারা যখন টেলিভিশনে এত বেশি ভাষণ দেয়, তখন বাচ্চারা নব ঘুরিয়ে দেয়।

৪৫ মিনিটের বক্তব্যের মধ্যে তিরিশ মিনিটের মতো কথা বলার পর এক পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন কোনো কর্মী নেই। সবাই নেতা হয়ে গেছে। স্টেজ ভরে যায় নেতায়। বাংলাদেশকে মনে হয় নেতা উৎপাদনের বিরাট কারখানা, মনে হয় কর্মী উৎপাদনের কারখানা একেবারেই সংকুচিত হয়ে গেছে। এখানে আর নেতা বেশি হলে বক্তৃতাও বেশি হয়। অনেক নেতার বক্তব্য কেউ শুনতে চায় না, তারপরও জোর করে শুনতে হয়।’

তবে নিজে এই বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসার কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, ‘বাস্তব কথা হলো ভাষণটা কম হবে, অ্যাকশনটা বেশি, কথা কম কাজ বেশি।’

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত