টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

জলদস্যুরোধে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মৎস্য ব্যবসায়ীদের

ইমাম খাইর
কক্সবাজার ব্যুরো

cox-fishariচট্টগ্রাম, ২১  নভেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস): জলদস্যুরোধে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে কক্সবাজারের মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

একই সাথে সাগরে দস্যুতা বন্ধ না হলেও নৌ-পথ অবরোধ ও মৎস্যবিক্রি বন্ধসহ কঠোর কর্মসুচির হুঁশিয়ারী দিয়েছে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ফিশিংবোটে ডাকাতি, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়ের প্রতিবাদে মনাববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

বিক্ষুব্ধ মৎস্য ব্যবসায়ীরা বলেন, দীর্ঘ এক মাস পর সাগরে মাছ শিকারে গেলে জলদস্যুদের কবলে পড়ে ফিশিংবোটগুলো। মাঝি-মাল্লাদের মারধর ও অপরণ করে দস্যুরা লুটে নিয়ে যাচ্ছে আহরিত কোটি টাকার মাছ।

তাদের মতে, প্রশাসনের কঠোরনীতির কারণে সুন্দরবনের খ্যাতনামা ডাকাতরা আতœসমর্পন করতে বাধ্য হয়েছিল।

কিন্তু বঙ্গোপসাগরে দস্যুতারোধে প্রশাসনের দূর্বলতা রয়েছে। এ কারণে সাগরে প্রতিনিয়ত মাছধরার ট্রলারে ডাকাতি, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা ঘটছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জলদস্যুদের ব্যাপারে প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে নৌ-পথে অবরোধ, মাছ বিক্রি বন্ধসহ কঠোর কর্মসুচিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিক্ষুব্ধ মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

কক্সবাজার ফিশারীঘাট মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুদ আজাদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ কর্মসুচির প্রতি সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জলর কর।

তিনি বলেন, জেলেদের জানমালের নিরাপত্ত¡া নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। এ বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ সময় তিনি যারা জলদস্যুদের ‘দালালি’ করে তাদের খোঁজে বের করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আহবান জানান।

সভায় বক্তৃতা করেন- কক্সবাজার ফিশারীঘাট মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির ওসমান গণি টুলু, কক্সবাজার ফিশারীঘাট মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনির উদ্দিন মনির, মৎস্য ব্যবসায়ী নেতা জয়নাল আবেদীন, শফিউল আলম (বাশি সওদাগর), রিদুয়ান আলী, হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

কক্সবাজার ফিশারীঘাট মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক জানে আলম পুতুর পরিচালনায় বিক্ষোভ কর্মসুচিতে মৎস্য ব্যবসায়ী নেতা মো. সুমন, নুরুল আবছার আনু, ইসমাঈল হোসেন আবুসহ সহ¯্রাধিক মৎস্য ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।

সাগরে মৎস্য শিকারে জেলেদের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য স্থায়ী নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে জাহাজের মাধ্যমে নিরাপত্তা দেয়ার দাবী জানিয়েছে ট্রলার মালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা। একই সাথে ফিশিংবোটের লাইসেন্স তল্লাসির নামে কোস্টগার্ডের হয়রানী বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বোট মালিক ও জেলেরা।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত