টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে

এস এম ইসমাইল হাসান
বান্দরবান প্রতিনিধি

alikadamচট্টগ্রাম, ১৮ নভেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস): সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধারাবাহিকতায় আলীকদম উপজেলায় কয়েক কোটি টাকার প্রকল্প কাজ অব্যাহত আছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত পাহাড়ি খামার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৩০টি মুরুং পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। শুক্রবার সকাল ১১ ঘটিকায় আলীকদম উপজেলা পরিষদ চত্বরে গাভী বিতরণ বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন উপলক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো বলেন ¤্রাে ন্যাশনাল পাটি (এমএনপি) থেকে যে ৭৯ জন সদস্য আত্মসমর্পন করেছে আমরা তাদেরকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া ¤্রাে জাতীকে শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রকার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুন কান্তি ঘোষ এর সভাপাতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও গাভি বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ৬৯ পদাতিক ব্রিগড এর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, এনডিইউ, পিএসসি, বান্দরবান এর জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বনিক, আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সারোয়ার হোসেন, পিএসসি, আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষিপদ দাশ, সদস্য থোয়াইচাহ্লা মার্মা, সদস্য মোস্তফা জামান, সদস্য চিঅং ¤্রাে, সদস্যা ফাতেমা পারুল, মুরুং নেতা রাংলাই মুরুং, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক, লামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইসমাইল, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিনারুল হক প্রমূখ।

জানা যায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত পাহাড়ি খামার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০০৮-২০১৭ সাল পর্যন্ত ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ৪শ পরিবারকে বাগান শৃজন, ৩শ পরিবারকে ডিইরী ফার্ম এবং ২শ পরিবারকে শেলাই মেশিন প্রদান করা হবে। তার মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছর পর্যন্ত ৪কোটি ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৭৬১ পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। অবশিষ্ট ১৩৯ পরিবারকে আগামী এক বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

 

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত