টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কর্নফুলি টানেল ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

bচট্টগ্রাম, ১৪ অক্টোবর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সফররত চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কর্নফুলি নদীর তলদেশে টানেল এবং চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।

আজ শুক্রবার রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

উল্লেখ, ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দুইটি বৃহদাকার প্রকল্পে চীন অর্থায়ন করছে। মোট টাকার মধ্যে কর্নফুলি নদীর নিচে টানেল নির্মাণে ব্যয় হবে ২০ হাজার কোটি টাকা, বিশেষায়িত অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল নির্মাণে ১৬ হাজার কোটি টাকা।

২০১৭ সালে প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু হবে এবং ২০২০ সাল নাগাদ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ২০১৪ সালে চীন সফরের সময় টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।

চীনের সাংহাই মহানগরীর ‘এক নগরী দুইটি টানেল’ অনুসরণে চট্টগ্রামে দেশের প্রথম টানেলের নকশা করা হয়েছে। নদীর তলদেশ দিয়ে এই ‘মাল্টি লেন টানেল’-এর পথটির এক পাশে নৌবাহিনী কলেজ এবং অপর পাশে কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (কেইউপিজেড) এবং কর্নফুলি সার কারখানা (কাফকো) রয়েছে।

এই টানেলটি চট্টগ্রাম বন্দর এবং আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করবে এবং বন্দর নগরী ও কক্সবাজারের মধ্যে যোগাযোগ, বিশেষত কর্নফুলি নদীর ওপর দুটি সেতুতে যানবাহন চলাচল সহজ করবে।

বাংলাদেশী পণ্যের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আনোয়ারা উপজেলায় ৭৭৪ একর জমিতে চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল স্থাপন করা হবে। এ ছাড়াও শিল্প পার্কে ৩৭১টি শিল্প ইউনিট থাকবে।

আনোয়ারা উপজেলায় চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল (সিএসইআইজেড) নির্মাণের লক্ষ্যে বেপজা ইতোমধ্যে একটি চীনা কোম্পানীর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে। প্রস্তাবিত এই জায়গাটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৩৯ কিলোমিটার, চট্টগ্রাম নগরী থেকে ২৮ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে ৪৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

মতামত