টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

তিন পার্বত্য জেলায় প্রথমদিনের হরতাল চলছে

pচট্টগ্রাম, ১৩ অক্টোবর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস): পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন সংশোধনী আইন-২০১৬ জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার প্রতিবাদে ও বাঙ্গালী নেতা আতিকুর রহমানের মুক্তির দাবিতে রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলায় বাঙালী সংগঠনগুলোর ডাকে সকাল-সন্ধ্যা চলছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ভোর ৬টা থেকে হরতালের সমর্থনে জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে হরতাল সমর্থকরা পিকেটিংয়ে অংশ নেয়। এছাড়া হরতালের কারনে শহরের দোকানপাটসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। জেলার অভ্যন্তরে ও দূরপাল্লার যাত্রীবাহি সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকার পাশাপাশি নৌ-পথেও কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করছে না।

শহরের প্রবেশমুখ মানিকছড়ি, কলেজগেইট, বনরূপা, তবলছড়ি, রিজার্ভবাজার, দোয়েলচত্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হরতাল সমর্থকদের পিকেটিং করতে দেখা গেছে। এছাড়া নাশকতা এড়াতে অফিস আদালত, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শহরে ব্যাপক সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্যনীয়।

উল্লেখ্য, পার্বত্য জনগণের আন্দোলনকে উপেক্ষা করে সরকার পার্বত্য চট্রগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন ২০০১ ও তার সংশোধনী আইন ২০১৬ তড়িগড়ি করে জাতীয় সংসদে পাস করার প্রতিবাদে এবং বান্দরবানের বাঙ্গালী নেতা আতিকুর রহমানের মুক্তির দাবিতে ১৩ অক্টোবর ও ১৬ অক্টোবর হরতাল পালন করার ঘোষণা দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাঁচটি বাঙ্গালী সংগঠন। গত ৯ই অক্টোবর গণমাধ্যমে প্রেরিত এক প্রেস বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন সংগঠনগুলোর মুখপাত্র এ্যাডভোকেট আলম খান। প্রেস বার্তায় বলা হয়, সরকার গত ০৬ অক্টোবর জাতীয় সংসদে পার্বত্য চট্রগ্রাম ভুমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন ২০১৬ পাস করায় পাঁচ বাঙ্গালী সংগঠন নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, এই বিতর্কীত আইন পার্বত্য চট্রগ্রামে বাঙ্গালী এবং উপজাতীদের মুখোমুখি দাড় করিয়েছে,ইতোমধ্যে দ্বন্ধ সংগাতের সমুহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই এই বিতর্কিত আইন শীঘ্রই বাতিল এবং বান্দরবানের পাঁচ সংগঠনের শীর্ষ নেতা, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সভাপতি আতিকুর রহমান মুক্তির দাবিতে উক্ত কর্মসূচি গ্রহন করে বাঙ্গালী সংগঠনগুলো।

মতামত