টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বাংলাদেশ থেকে পুরুষ গৃহকর্মী নেবে সৌদি আরব

চট্টগ্রাম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):: বাংলাদেশ থেকে পুরুষ গৃহকর্মী নিয়োগের একটি বিলে অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরবের শূরা কাউন্সিল। ফলে এখন থেকে বাংলাদেশি নারীর পাশাপাশি পুরুষরাও গৃহকর্মীর ভিসা নিয়ে ওই দেশে যেতে পারবেন।

গত সোমবার রিয়াদে শূরা কাউন্সিলের সহকারী স্পিকার ইয়াহিয়া বিন আব্দুল্লাহ আল-সামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শূরা কাউন্সিলের ৪৯তম সাধারণ সভায় এ নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই সভায় বাংলাদেশ থেকে পুরুষ গৃহকর্মী নিয়োগের সুপারিশ করেন কাউন্সিল কমিটির প্রশাসন ও মানব সম্পদ বিভাগের চেয়্যারম্যান মোহাম্মদ নাগাদি। এরপর ওই সুপরিশের অনুমোদন দেয় শূরা কাউন্সিল।

আজ বুধবার আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে সৌদি আরবের প্রায় ৪৮টি বিভাগে প্রায় ১৩ লাখ বাংলাদেশি নিয়োজিত আছেন। এদের মধ্যে গৃহকর্মীর কাজে নিয়োজিত আছেন প্রায় ৬২ হাজার।

এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ওই দেশে বাংলাদেশি গৃহকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী হিসেবে শুধু নারীদের ভিসা দেয় সৌদি আরব। প্রতি মাসে গড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মী হিসেবে ওই দেশে যাচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি পুরুষ গৃহকর্মীর ভিসা নিয়ে ওই দেশে যাননি। নতুন বিল অনুমোদন দেওয়ায় এখন থেকে বাংলাদেশি পুরুষরাও গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরবে যেতে পারবেন।

শূরা কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সৌদি আরবে নিয়োজিত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত গোলাম মশি আরব নিউজ পত্রিকাকে বলেন, যৌথ কারিগরি কমিটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবে বাংলাদেশের পুরুষ গৃহকর্মী নিয়োগে দুই দেশই খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় সৌদি আরবের শূরা কাউন্সিলের পুরুষ গৃহকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে জনশক্তি খাতে সম্পর্ক উন্নয়নে উভয় দেশের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ঢাকায় তিনটি সৌদি প্রতিষ্ঠান নারী গৃহকর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। পুরুষ গৃহকর্মী নিয়োগের আগে তাদেরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে তা সুফল বয়ে আনবে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির দেওয়া গৃহকর্মী নিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছিলেন সৌদি আরবের শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রী মুফরেজ আল-হাকবানি।

মতামত