টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে ধীরে ধীরে জমে উঠেছে পশুর হাট

chittagong

ছবিঃ অনুপম বড়ুয়া

চট্টগ্রাম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):: কোরবানি যত ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠছে চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলো। ক্রেতারা বিভিন্ন বাজার ঘুরছেন এবং দাম যাচাই-বাছাই করছেন। ফলে পশু বিক্রি হচ্ছে ধীর গতিতে। 

তবে বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ছোট গরুর সরবরাহ কম বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

এছাড়া গরু বা ছাগল নিয়ে আসার পথে রাস্তায় পুলিশ ও মাস্তানদের চাঁদাবাজি এবং গরু ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাহীনতায় হতাশ পশু ব্যবসায়ীরা।

বুধবার নগরীর বিভিন্ন পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ৫০ হাজার টাকার কমে গরু নেই বললেই চলে। বড় গরুর পাশপাশি ছাগলও রয়েছে প্রচুর।

সাগরিকা বাজারে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে গরু নিয়ে আসা মো. বাতেন বলেন, ‘এ বাজারে ১০টি গরু এনেছি। সবচেয়ে বড় গরুর দাম ১০ লাখ টাকা এবং ছোট গরুর দাম ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছি।’

চট্টগ্রাম গবাদী-পশু ব্যবসায়ী সমিতির অফিস সেক্রেটারি কাজী আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘গত বছর সাগরিকা বাজারে এক লাখের বেশি গরু বিক্রি হয়েছিল। এই বছরও তার চেয়ে বেশি গরু বিক্রির টার্গেট আছে।’

এখন পর্যন্ত বাজারে ছোট গরুর চাহিদা বেশি, সেই কারণে এখন যেসব গরু আসছে তার মধ্যে ছোট গরুই বেশি।

নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার গরু-ছাগলের বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক এসরারুল হক অভিযোগ করে বলেন, সাতকানিয়া ও চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা গরুর ট্রাকগুলো জোর করে মইজ্জারট্যাক হাটে এবং দেশের অন্যান্য স্থান থেকে আসা পশুর গাড়িগুলো নগরীর অলংকার মোড় থেকে সাগরিকা বাজারে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এতে অন্যান্য হাটের ইজারাদাররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পশুর হাট ঘুরে জানা যায়, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, বগুড়া ও রাজশাহী থেকে গরু আনতে রাস্তায় চাদাঁবাজি কমলেও গাড়ি ভাড়া দুইগুণ দিতে হচ্ছে।

কুষ্টিয়া ও রাজশাহী থেকে স্বাভাবিকভাবে গরু আনলে প্রতিগাড়ি ২২-২৩ হাজার লাগত এখন ৪০ থেকে ৪২ হাজার পর্যন্ত গাড়ি ভাড়া দিতে হচ্ছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত