টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ঈদুল আজহার ছুটিতে বন্দরে জটের শঙ্কা

চট্টগ্রাম, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):: চট্টগ্রাম বন্দরপবিত্র ঈদুল আজহার ছয় দিনের ছুটিতে আবারও চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ ও কনটেইনার জট সৃষ্টির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ছুটির সময় পণ্য পরিবহনে গাড়ির সংকট থাকে। পণ্য খালাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে না। এ কারণে আমদানিকারকেরাও পণ্য খালাস করতে চান না। ফলে পণ্য জমে বন্দরের কার্যক্রমেও ধীরগতি হয়।

ঈদের আগে রোববার সরকার ছুটি ঘোষণা করায় এবার ঈদ উপলক্ষে মোট ছুটি ছয় দিনের। আবার ঈদের ছুটি শেষে আগামী সপ্তাহে এক দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার কর্মদিবস রয়েছে। এরপর আবার শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে কার্যত নয় দিনই পণ্য খালাসে ধীরগতি থাকবে বলে ব্যবহারকারীরা জানান।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম গতকাল সোমবার বলেন, ছুটির সময় পণ্য খালাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা উচিত। নইলে বন্দরে জটের কারণে ছুটির পরে সব ব্যবসায়ীর ভোগান্তি হয়। রোজার ঈদের সময় বন্দরে জাহাজ ও কনটেইনারের যে জট হয়েছিল, তা স্বাভাবিক হতে এক মাসের বেশি সময় লেগেছে। ছুটির পর পণ্য হাতে পেতে অনেক সময় লেগেছে ব্যবসায়ীদের।

বন্দর সূত্র জানায়, বন্দরে ঈদের দিন আট ঘণ্টা ছাড়া পরিচালন কার্যক্রম সচল থাকে। আবার রাজস্ব বোর্ডও তৈরি পোশাকশিল্পের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার জন্য ৯ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম কাস্টমস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই নির্দেশনায় পণ্য খালাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরপরও শঙ্কা কাটছে না।

বন্দর পর্ষদের সদস্য জাফর আলম  বলেন, ঈদের দিন শুধু এক পালা বা আট ঘণ্টা বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানো ও সরবরাহের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। অন্য সময় বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে। তবে ছুটির সময় বন্দর থেকে পণ্য খালাস কম হয়। এর চাপ পড়ে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে। এ জন্য ছুটির সময় আমদানিকারকদের পণ্য খালাসে এগিয়ে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম জানান, ছুটির সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা রাখলেও বন্দর চত্বর থেকে পণ্য খালাস হয় কম। এ সময় রপ্তানি পণ্য সময়মতো জাহাজীকরণেই বেশি জোর দেওয়া হয়।

বন্দরের হিসাব অনুযায়ী, গতকাল বন্দর চত্বরে আমদানি পণ্যভর্তি ২৮ হাজার ২৫৩ একক কনটেইনার পড়ে ছিল। স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার চেয়ে এই সংখ্যা ২ হাজার ২৭২ একক কনটেইনার বেশি। জেটিতে ভেড়ার জন্য বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ ছিল ১১টি কনটেইনার জাহাজসহ ১৮টি জাহাজ।-প্রথম আলো

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত