টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন শেখ কামাল

sচট্টগ্রাম, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):  দেশের খেলাধুলায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বড় ভাই শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বলতম প্রতিষ্ঠান আবাহনী লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ২০১১ সালের জন্য (মরণোত্তর) এ পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুৃজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময়ে ঘাতকদের বুলেটে তিনিও শহীদ হন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রবিবার ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ করা হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার বিতরণের পর প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নের জন্যে খেলাধুলার ওপরে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেছেন,‘খেলাধুলা দেশের জন্য একান্তভাবে প্রয়োজন। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমাদের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, অধ্যাবসায়, দায়িত্ববোধ, কর্তব্যবোধ, দেশপ্রেম জাগ্রত হয়। যতবেশি খেলাধুলার সঙ্গে আমাদের ছেলে-মেয়েদেরকে সম্পৃক্ত রাখতে পারবো তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে। তারা চিন্তা, মন-মননে অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। অনেক বেশি উন্নত হবে।’

ওই অনুষ্ঠানে খেলাধুলার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,‘খেলা মানুষের মনকে সুন্দর রাখে, জীবনের চলার পথটা করে দেয় সুন্দর’-এই কথার গুরুত্ব খুব ভালো করে বোঝেন বলেই প্রধানমন্ত্রীর আহবান,‘সুস্থ দেহ থাকলে, একটা সুস্থ মনও থাকবে। এই মন আর এদিক-ওদিক যাবে না।এখন যেমন সমাজে একটা সাংঘাতিক অসুস্থতা দেখা যাচ্ছে। এই যেমন জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদকাসক্তি-মানুষের মন-মানসিকতা একেবারেই নষ্ট করে দিচ্ছে। সমাজকে কলুষিত করে দিচ্ছে।এখান থেকে আমাদের যুব-সমাজকে ফিরিয়ে আনতে হবে।সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে বলে আমি মনে করি।’ ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে তার সরকারের অবদান তুলে ধরে বললেন, ‘আমরা ১৯৯৬ ক্ষমতায় এসে খেলাধুলার জন্য অনেক পদক্ষেপ, উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। বিএনপি-জামায়াত আমলে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জাহিদ আহসান রাসেল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত