টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘মেয়েরা ১০ গোল দেয়, ছেলেরা ৫ গোল খায়’

চট্টগ্রাম, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (সিটিজি টাইমস):  অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায়ে বাংলাদেশের মেয়েদের সাম্প্রতিক সাফল্য আর জাতীয় পুরুষ দলের ব্যর্থতা নিয়ে রসিকতা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওসমানী মিলনায়তনে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রধান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মেয়েরা আজ খেলাধুলায় ছেলেদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তারা ১০ গোল দেয়। আর ছেলেরা ৫ গোল খায়।’

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কিরগিজস্তানকে ১০-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। এরপর শেষ ম্যাচে চীনা তাইপেকে ৪-২ গোলে হারিয়ে মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। অন্যদিকে জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল প্রস্তুতি ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে ৫-০ গোলে হেরে আসে। প্রধানমন্ত্রী মূলত এই ম্যাচগুলো নিয়ে রসিকতা করেন।

রবিবার ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সাল এই তিন বছরের ৩২ জনের হাতে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ক্রীড়া ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। এর মধ্যে ’৭২ সালে জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ পরিষদ গঠন করেন। এরপর অনেকগুলো জাতীয় ক্রীড়া ফেডারেশনও গঠন করা হয়।’

দেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে আওয়ামী লীগ সরকারের অবদানের কথাও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা, ‘আমাদের সরকারের আমলেই আইসিসি বাংলাদেশকে পূর্ণসদস্যের মর্যাদা দেয়। আমাদের আমলেই বাংলাদেশ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে পৃথিবীকে অবাক করে দেয়।’

শুধু ক্রিকেটই নয়, দেশের অন্যান্য খেলাগুলোকেও এগিয়ে নিতে তার সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ যখন টেস্ট স্ট্যাটাস পায়, তখন অনেক দেশ আইসিসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে। সেই সব দিনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যখন টেস্ট স্ট্যাটাস পাই, তখন বলাবলি হয়, বাংলাদেশ নাকি বিভিন্ন দেশের প্রধানের সঙ্গে লবিং করে টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছে। এখন তাদের মুখের সামনে বলতে হয়, আমাদের ছেলেরা পারে।’

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারদের হিসেব করে চলে। টাইগাররাও সেটা জানে। ইনশাল্লাহ, আমরা একদিন বিশ্বকাপ জিতব।’

‘আমাদের এখন তামিম, মাশরাফি, মুশফিকের মতো খেলোয়াড় আছে। মোস্তাফিজ একদম নতুন। তার নাম তো হয়ে গেছে কাটার মাস্টার। এদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’

জাতিসংঘ প্রতি বছরের ৬ এপ্রিলকে আন্তর্জাতিক ‘স্পোর্টস-ডে’ হিসেবে পালন করে। এখন থেকে বাংলাদেশও এই দিনটিকে স্পোর্টস-ডে হিসেবে পালন করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

মতামত