টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বহির্বিভাগে বেড়েছে রোগী কমছে ডাক্তারের উপস্থিতি

এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 

চট্টগ্রাম, ২২ আগস্ট ২০১৬ (সিটিজি টাইমস): মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের বেডেছে রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিন সাড়ে ৪’শ থেকে ৫’শ রোগী উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালে ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি এ্যাম্বুলেন্স সংযোজিত হয়েছে। যেটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। প্রতিদিন চিকিৎসা সেবার জন্য দূর দূরান্ত থেকে সাধারণ জনগণ ছুটে এলেও হাসপাতালে ডাক্তাররা সময়মত উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে গত শনিবার (২০ আগষ্ট) সকাল ১১টায় হাসপাতালের বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা যায় রোগীদের দীর্ঘ লাইন। সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা রোগীরা লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে হাসপাতালে বহির্বিভাগে নিয়মিত ২১ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও শনিবার ছিলো ৫-৬ জন চিকিৎসক। ফলে চিকিৎসার জন্য দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগীদের বেশীর ভাগ ফিরে গেছেন চিকিৎসা ছাড়া। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রতন কুমার দে ছুটিতে ঢাকা গেছেন। আবাসিক মেডিকেল অফিসার মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরীও তার আত্মীয় মারা যাওয়াতে ছুটি নিয়েছেন। আবাসিক চিকিৎসক সুমন দে ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। শনিবার কতজন চিকিৎসক হাসপাতালে এসেছেনে তার সুনির্দিষ্ট হিসেব দিতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুমন দে। তিনি জানান টি.এস স্যার কোথায় হাজিরা বই রেখেছেন তা আমি জানি না। তবে বেশীর ভাগ চিকিৎসক ছুটিতে থাকায় উপস্থিতি কম। ডাক্তার উপস্থিতি কম থাকলেও সব রোগীই চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন বলে তিনি দাবী করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রতন কুমার দে জানান, আমি ছুটিতে ঢাকা আছি। শনিবার হাসপাতালে ডাক্তারদের উপস্থিতি কম থাকার বিষয়ে আমি তাদের সাথে কথা বলেছি। তাদের সময় মতো হাসপাতালে থাকার বিষয়ে বলা হয়েছে। তাছাড়া অধিকাংশ চিকিৎসক ছুটিতে থাকার কারণে ডাক্তার উপস্থিতি কম ছিলো।

প্রসঙ্গত : ষাটের দশকে থানা ডিসপেনসারী হিসেবে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয় এবং ১০ই জানুয়ারী ১৯৬২ সালে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এটি উদ্বোধন করেন তৎকালীন পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী লেঃ কঃ বার্কী। স্বাধীনতা উত্তরকালে থানা ডিসপেনসারী উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হিসেবে উন্নীত এবং পরিচালিত হয়। দীর্ঘদিন এই অবস্থায় থাকার পর ২০০৮ সালের পর হতে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হিসেবে এটি পরিচালিত হয়ে আসছে।

মতামত