টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

খোঁজ মিলছে চবি’র আরবি বিভাগের ‘অনুপস্থিত’ শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম, ২২ আগস্ট (সিটিজি টাইমস):  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ‘অনুপস্থিত’ ৪৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে অন্তত ২৫ জন বিভাগে যোগাযোগ করেছেন।

এ ছাড়া ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে অনুপস্থিত ১৪ জন শিক্ষার্থীর একটি তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে গতকাল রোববার জমা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আরবি বিভাগের অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম বর্ষের রয়েছেন ৫ জন, দ্বিতীয় বর্ষের ১৩, তৃতীয় বর্ষের ১০, চতুর্থ বর্ষের ১৬ ও স্নাতকোত্তরের ৫ জন রয়েছেন। গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার অন্যতম হোতা নুরুল ইসলাম ওরফে মারজান আরবি বিভাগের ছাত্র।

আরবি বিভাগের সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল চৌধুরী গতকাল দুপুরে বলেন, অনুপস্থিত বেশির ভাগ শিক্ষার্থী বিভাগে এসে যোগাযোগ করেছেন। কয়েকজন ক্লাস করাও শুরু করেছেন। তাঁদের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তালিকা হালনাগাদ করে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরবি বিভাগের এক শিক্ষক বলেন, অনুপস্থিত ২৫-২৬ জন শিক্ষার্থী এসেছেন। তাঁরা ক্লাস করাও শুরু করেছেন। অনুপস্থিত থাকার জন্য পারিবারিক সমস্যা দেখিয়েছেন তাঁরা।

গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী নুরুল ইসলামের নাম আসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গত বুধবারের মধ্যে বিভাগটির অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তালিকা জমা দিতে নির্দেশ দেন। এরপর বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামরুল হুদার কাছে ৪৯ অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর তালিকা জমা দেয় আরবি বিভাগ।

ইংরেজি ও চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তালিকা এখনা রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দেওয়া হয়নি।

ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘এটা হুট করে দেওয়ার বিষয় না। আমরা যাচাই-বাছাই শেষে পরশু (বুধবার) জমা দেব।’

চারুকলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক নাসিমা আখতার বলেন, ‘আমরা এখনো তালিকা পাঠাতে পারিনি। আমাদের আরও এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।’

গতকাল বাংলা বিভাগ থেকে একজন ছাত্রীসহ তিনজন অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর নাম রেজিস্ট্রার অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বাংলা বিভাগের সভাপতি মোহাম্মদ মহীবুল আজিজ।

অনুপস্থিত ১৪ জন শিক্ষার্থীর নাম রেজিস্ট্রার অফিসে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি মুহাম্মদ সাখাওয়াত হুসাইন।- প্রথম আলো

মতামত