টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ফের পেছাল সাকার রায় ফাঁস মামলার রায়

চট্টগ্রাম, ১৪ আগস্ট (সিটিজি টাইমস): মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ড কার্যকর হওয়া বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায় ফাঁসের মামলার রায় পিছিয়ে আগামী ২৮ আগস্ট ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

রোববার মামলাটিতে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন রায়ের আদেশ প্রস্তুত না হওয়ায় বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক কেএম শামসুল আলম রায় ঘোষণার জন্য ২৮ আস্ট দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৪ আগস্ট আসামীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য রোববার দিন ঠিক করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচারকাজ চলাকালে ২৫ সাক্ষির মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার আসামিরা হলেন- সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাদ কাদের চৌধুরী, ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সাকার আইনজীবী ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অফিস সহকারী ফারুক আহমেদ, অস্থায়ী কর্মচারী নয়ন আলী, ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামের সহকারী আইনজীবী মেহেদী হাসান ও ম্যানেজার একেএম মাহাবুবুল আহসান।

আসামীদের মধ্যে ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলাম, মাহবুবুল আহসান, ফারুক আহমেদ ও নয়ন আলী কারাগার রয়েছেন। ৪ আগস্ট জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

অন্যদিকে সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাদ কাদের চৌধুরীর বয়স বিবেচনায় তার জামিন বহাল রাখেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া সাকা চৌধুরীর ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী ৪ আগস্ট আদালতে আসার সময় ডিবি কর্তৃক আটক হন বলে তার আইনজীবী দাবি করায় তার জামিন বহাল রাখা হয়।

তবে রায় ঘোষণার দিন তাকে আদালতে হাজির করতে আইনজীবীকে নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অপর আসামী মেহেদী হাসান পলাতক রয়েছেন।

এ মামলায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়ের হওয়া ওই মামলায় ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহজাহান।

রায় ফাঁসের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অস্থায়ী কর্মচারী নয়ন আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। ওই জবানবন্দিতে ব্যারিস্টার ফখরুল ও ওই ট্রাইব্যুনালের অফিস সহকারী ফারুক আহমেদ জড়িত বলে উল্লেখ করেন।

ওই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর রাজধানীর সেগুনবাগিচায় তার চেম্বার থেকে গ্রেপ্তার হন ব্যারিস্টার ফখরুল। এরপর ২৪ নভেম্বর তার জামিন নামঞ্জুর করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। যদিও পরে ওই রিমান্ড বাতিল করে হাইকোর্ট। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন।

তবে রায় ঘোষণার আগেই সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা ‘রায়ের খসড়া কপি’ সংবাদকর্মীদের দেখান।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত