টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

গুলশান হামলার আরেক ‘মাস্টারমাইন্ড’ মারজান

marjanচট্টগ্রাম, ১২  আগস্ট (সিটিজি টাইমস):  রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মূল পরিকল্পকারীর ছবি পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। তার সাংগঠনিক নাম মারজান বলে জানিয়েছে বাহিনীটি। তবে এটা তার প্রকৃত নাম কি না তা জানে না বাহিনীটি।

শুক্রবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এ কথা জানান। তিনি বলেন, মারজান আর্টিজান হামলাকারীদের অনুপ্রাণিত করতে সে সময় গুলশানেই ছিলেন।

গত ১ জুলাই গুলশান-২ এর অভিজাত রেস্টুরেন্ট হলি আর্টিজানে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরদিন সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে নিহত হয় পাঁচ হামলাকারী। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এই পাঁচ জনের আরও বেশ কয়েকজন সহযোগী ছিল।

এর আগে গুলশান হামলার মূল হোতা বা মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তামিম চৌধুরীর নাম জানিয়েছিল পুলিশ। বাহিনীটির দাবি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে বাংলাদেশে কথিত আইএসপ্রধান হিসেবে নাম আসা এই ব্যক্তি আসলে নিউ জেএমবির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। আর বিদ্রোহচেষ্টার অভিযোগে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হকও এই চক্রে যোগ দিয়েছেন। এই দুই জনকে ধরিয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে পুলিশ। এই ‍দুই জন এখনও ঢাকাতেই আছে বলে ধারণা করছেন মনিরুল ইসলাম।

তবে হামলার প্রায় দেড় মাস পর সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম জানান, ‘গুলশান হামলার আরেক মাস্টারমাইন্ড মারজান। তবে এটা তার সাংগঠনিক নাম। তার প্রকৃত নাম এখনও জানা যায়নি।’ সেই কথিত ‘মাস্টারমাইন্ডের’ ছবি পাওয়ার কথাও জানান মনিরুল। এই মারজান তামিম চৌধুরীর পরের সারির নেতা বলে জানান মনিরুল।

মারজানের সম্পর্কে কীভাবে জেনেছেন- জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, গুলশানের ঘটনার দিন জঙ্গিরা ভেতর থেকে বাইরে যে ছবি ও ম্যাসেজ পাঠিয়েছিল তা মারজান নামের এক তরুণ ছড়িয়ে দেয় বলে নিশ্চিত হয়েছেন তারা। তিনি বলেন, ‘সে ঢাকায় অবস্থান করছে। সে শিক্ষিত ছেলে বলে মনে হয়েছে। তার একটি ছবি গোয়েন্দা সদস্যদের হাতে রয়েছে।’

মতামত